Author Archives: bnbat

About bnbat

i want describe and traveling people with quality service


বান্দরবান জেলা অবস্থিত বাংলাদেশ সবচাইতে দক্ষিণ-পূর্ব জেলা। মূলত চারটি উপজেলায় বিভক্ত। তার মধ্যে থানচি রুমা আলীকদম এবং সাঙ্গ মাতা হরি বন্যপ্রাণী ও  অভয় অরণ্য, অন্যতম। একে বাংলাদেশের  কাশ্মীর বলা হয়। যেখানে রয়েছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচু পাহাড় চিম্বুক এবং নীলগিরি। যেখান থেকে উৎপন্ন হয়েছে সাঙ্গু নদী এবং পতিত হয়েছে বাংলাদেশে। বান্দরবান জেলায় প্রবেশ পথে আপনাকে স্বাগত জানাবে আপনাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশাল এক সাইনবোর্ড দিয়ে যেখানে লেখা আছে সম্প্রীতির বার্তা পাহাড়ি এবং বাঙালির মধ্যে। শহরে রয়েছে স্বর্ণমন্দির। যা আপনাকে পুরনো এক  স্থাপত্য-শৈলীর নিদর্শন। বান্দরবান শহরের সবচেয়ে তে আকর্ষণীয় দিক আমার কাছে লাগে, পথে পথে পাহাড়ী  ফলমূল সাজিয়ে বসা দোকান গুলো, মিষ্টি পেঁপে আনারস আপনাকে নিয়ে যাবে অন্য এক সাধের জগতে যদি আপনি ভজন রসিক হয়ে থাকেন। অপূর্ব স্থাপত্য-শৈলীর নিদর্শন আর এখন গড়ে ওঠা ডিজিটালাইজেশন। আপনি প্রত্যেকটি যে উপজেলায় বিদ্যুৎ পাবেন। যা সত্যিই এক অকল্পনীয় বিষয়। বাংলাদেশ কতদূর এগিয়েছে/  তার তার জ্বলন্ত উদাহরণ এই বান্দরবান। এক পাশে পুরো সুন্দর্য বহু করার জন্য রয়েছে সেনাবাহিনী এবং বিডিআর এই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্যপাশে এক অনন্য সম্প্রীতির জেলা বান্দরবান। আপনি বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত হতে বান্দরবনের সরাসরি আসতে পারেন।

বান্দরবনে রয়েছে স্বর্ণমন্দির শত বছরের ঐতিহ্য লালন করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। অন্যপাশে আপনি রুমা যাবে যেতে পারেন। রুমা সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে আপনাকে এক রাত থাকার পরিকল্পনা করতে হবে। বাংলাদেশের পাহাড়ি কন্যা রমা। যেতে হবে কখনো পথে চকচকে পিচ ঢালা পথে আবার কিছুদুর পাহাড়ি নৌকায় এবং কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে। এক অনন্য অ্যাডভেঞ্চার আপনাকে নিয়ে যাবে অন্য এক জগতে। আপনারা যারা ছুটি কাটাতে ব্যাংকক , মালয়েশিয়া/কিংবা ভারতের হিমাচলে হিমাচলে যান, তারা যদি একবার রুম ঘুরে আসেন। আমার মনে হয়, দ্বিতীয়বার এই ভুলটি করবেন না, রুমা আপনাকে টেনে যাবে বারবার ।আপনার ছুটির দিনগুলোকে রঙিন করে তুলবে, এক অন্য মায়াবী জগতে, 
আর আপনি যদি অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় হন। আমার পরামর্শ হলো আপনি প্রথমে বান্দরবান শহরে প্রবেশ না করে, আলীকদম যাবেন ঢাকা থেকে, সেখান থেকে আপনি থানচি যাবেন। তারপরে নীলগিরি সৌন্দর্য উপভোগ করবেন, তারপর চিম্বুক। কিংবা শৈলকুপা হয়ে বান্দরবান শহরে রাত কাটাতে পারেন। তারপর পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রুমা যেতে পারেন। আপনি পথে পথে পাবেন পিচ ধালা পাহাড়ি রাস্তার অ্যাডভেঞ্চার আর অপরূপ সৌন্দর্যের নিদর্শন। যেন সৃষ্টিকর্তা আপনার জন্যই তৈরি করে রেখেছে। আপনার বিনোদনের জন্যই। আপনার ছুটির দিনগুলোকে রঙিন করার জন্য,।

বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত হতে আপনি বান্দরবনে আসতে পারবেন খুব সহজে,। কিন্তু আমি যে পথটি আপনাকে দেখাবো, এক অন্য জগতে ,সেটি অন্য রকমের , আপনি ঢাকা থেকে শ্যামলী পরিবহনের বাসে করে আলীকদম আসতে পারেন। আপনি সেখানে ছোট ছোট থাকার জন্য হোটেল পাবেন। ছোট্ট একটি শহর আলীকদম। আপনি যখন হোটেল রুমের সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা খেয়ে খেতে খেতে উপভোগ করবেন, পাহাড়ি বেষ্টিত জাদুর নগরী। থাকতে না চাইলে, সেখানে রয়েছে যাওয়ার ব্যবস্থা চান্দের গাড়ি, কিংবা আপনি বন্ধু-বান্ধবসহ পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে যাবেন ,তাহলে কিছু ভাই রয়েছে যারা মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে শহরের কয়েকটি স্পটে, শহরের প্রেসক্লাবের সামনে হতে আপনি মোটরসাইকেল ভাড়া করতে পারেন থানচি যাওয়া পর্যন্ত জন্য। কিংবা চাইলে বান্দরবান পর্যন্ত। আমি থানচি কথা পরামর্শ দেব, ভাড়া টা খুব সামান্য আপনার উপভোগ্য উপকরণের তুলনায়,20 কিলো রাস্তা ভাড়া মাত্র আপনি একা হলে 500 থেকে 600 টাকা কিংবা দুজন হলে নিতে পারেন প্রতিটি মোটরসাইকেল এর ভাড়া। প্যাসেঞ্জার সিটে বসে উঁচু নিচু পাহাড় এ রাস্তার চলবেন, আর আপনার যেখানে মনে হবে আমি এখানে কিছুক্ষণ সময় কাটাবো , সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়বেন, ছবি তুলতে পারেন ভিডিও করতে পারবেন, মনের ইচ্ছা মত। সেখান থেকে থানচি যাবেন। দেখবেন নিরাপত্তাবেষ্টিত কতটা আপনাকে স্বাধীনভাবে ঘুরে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে।। তারা পথে পথে তাদের চেকপোস্টে রয়েছে। আপনি আপনাকে সেখানে আপনার নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং আপনার এ স্বার্থে। আপনি যে গাইড রুপি মোটর সাইকেল ভাড়া নিয়েছেন তার বিবরণ থাকবে সেখানে, আপনার ভয় পাওয়ার কিছু নাই, আপনি চাইলে তাদের কাছ থেকে নাম্বার নিতে পারেন যে কোন সাহায্য সহযোগিতার জন্য ফোন দিবেন তা আপনাকে সহযোগিতা করার জন্যই বসে আছে এবং আপনাকে নিষিদ্ধ নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যে এই  পাহাড়ি পথে, আর যারা গাইড আপনি পাবেন তা সবাই দক্ষ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে তারা রয়েছে। ভয় পাওয়ার বা বিপদের আশঙ্কা আর কোন কিছু নাই। আপনি থানছিতে থাকার জন্য পাবেন সেনাবাহিনী তৈরি কটেজ। এবং বেসরকারি ভাবে নির্মিত অনেক ছোট ছোট হোটেল। যেগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, বা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন। আপনার ভ্রমণকে অত্যন্ত মিশ্রিত নিরাপত্তাবেষ্টিত করা । এই নিয়ে কোনো ভয় পাওয়ার কোন কিছু নেই, শুধু আপনি সেখানে যাবেন সৌন্দর্যও করার জন্য কোন ভয় পাওয়ার জন্য নয় বা কোন দুর্ঘটনা ঘটার জন্য নয়। আপনি চাইলে নদী পথে ও বান্দরবান শহরের দিকে, থানচি দেখা শেষ হলে আপনি, দুটো জিনিস পাবেন একটি চান্দের গাড়ি অন্যটি বাস। কিংবা ভাড়া করা মোটরসাইকেল তো রয়েছে। যেখান হতে নীলগিরি আসতে পারেন, নীলগিরি সৌন্দর্য দুই রকমের আমার মতে, একটা শীতকালীন আরেকটি বর্ষাকালীন। আপনি শীতের সকালে নীলগিরি হিলিং স্পটে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্মিত কটেজে, রাত করাতে পারেন, বন্ধু-বান্ধবসহ কিংবা পরিবার-পরিজনসহ কিংবা আপনি  গ্রুপ সহ থাকতে পারবেন। চাইলে সেখানে রেস্টুরেন্ট রয়েছে। নিজেরা রান্না কর খেতে পারবেন। রাতের শীতের রাতের রান্না আপনার পছন্দমত পাহাড়ি সবজি পাবেন, ফলমূল পাবেন নীল, নীল গিরির রাস্তায় পসরা সাজিয়ে বসে আছে। স্থানীয় পাহাড়ি লোকজন। আর সেখানকার ফল মনে হতো এত সুস্বাদু যে আপনি ইচ্ছে করলে সে গুলোকে দু-তিন দিন কাটে দিতে পারবেন। দাম এর কথা মাথায় আনবেন না। বাংলা ঢাকায় কিংবা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় 1 কেজি পেঁপের যা মূল্য তার অর্ধেক মূল্য তে স্বর্গীয় অমৃত ও অমৃত সমৃদ্ধ পেঁপে কিনতে পারবেন মাত্র অর্ধেক মূল্যে যা অবিশ্বাস্য। নীলগিরিতে হেলিপ্যাড রয়েছে। জরুরী প্রয়োজনে ব্যবহার করার জন্য। মনে করেন হেলিকপ্টারে করে বা এই বান্দরবান এর সুন্দর  দেহ ভোগ করবেন !!! তাহলে বাংলাদেশ এখন অনেক হেলিকপ্টার সার্ভিস রয়েছে। আপনি ,আপনার জন্য সদা প্রস্তুত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরামর্শ নিয়ে যে কোন একটি ভাড়া করতে পারেন। যেটি খরচ থাইল্যান্ডে এগিয়ে কিংবা কিংবা অন্য কোন দেশে গিয়ে যে খরচটি আপনি করে আসেন তারা অর্ধেক খরচে দ্বিগুণ মায়াবী জগতের আনন্দ উপভোগ করবেন। নীলগিরি হতে চিম্বুক এর দূরত্ব মাত্র 20 কিলোমিটার। আপনি সেখান থেকে খুব সহজেই চিম্বুক যেতে পারেন। চিম্বুকে বন্যপ্রাণী অভয় অরণ্যে ও চাইলে রাত কাটাতে পারে। ভয় নেই বাঘ কিংবা সিংহ খাবার আপনি হবেন না নিশ্চিত। কিন্তু ভাগ্য ভালো থাকলে গর্জন তো শুনতে পারবেন। এতে  শীতকালীন সৌন্দর্য, চিন্তা করুন একবার খুব ভোরে আপনি ঘুম থেকে উঠেছেন এক কাপ চা হাতে নীলগিরি কিংবা চিম্বুকের চূড়ায় বসে আছেন আর সূর্য পাহাড় ভেদ করে উপরে উঠছে, একবার চোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন, আমি ঘুরে আমি ঘুরে এসেছি, এখনো চোখ বন্ধ করে লিখার সময় ভাবছি আর অনুভব করি এ এক অন্য জগত যদি আপনি প্রকৃতি প্রেমী হন। আপনি সেখানে যেতে পারেন সত্যি বলছি এক অপরূপ সৌন্দর্য ভোগ করবেন। আপনি চিম্বুক হতে চান্দের গাড়ি চড়ে  বান্দরবান শহরে আসবেন। মাঝখানে শৈলকুপা তে স্নান করে নিতে পারেন। আর আপনি যদি বর্ষায় জান এপ্রিল মাসের পর থেকে জুন জুলাই অগাস্ট কিংবা সেপ্টেম্বরে। আপনি নীলগিরি চূড়ায় বসে, চায়ের সঙ্গে সঙ্গে সূর্যটা দেখতে সূর্যটা দেখতে পাচ্ছেন সঙ্গে বাংলাদেশের সবচাইতে বড় ঝরনা শব্দ আপনার কানে ভেসে আসছে। পৃথিবীর কোন দেশে একসঙ্গে, আপনি এটা পাবেন না। একটু বেলা হলে আপনি আধা কিলোমিটারের পথে ঝর্ণার তে গিয়ে গোসল করে আসতে পারেন, দেখে নিতে পারেন সৃষ্টিকর্তার এক অপূর্ব নিদর্শন। যা আপনাকে দেখতে সুইজারল্যান্ড যেতে হবে না। আপনার পাসপোর্ট লাগবে না ভিসা ও লাগবে না হ্যাঁ সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় পরিচয় পত্র ঠিক রাখবেন যেটি আপনার নিবন্ধন করতে কাজে লাগবে। যা দিয়ে আপনার নিরাপত্তা বিধান করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

কিভাবে যাবেন ?

বান্দরবান রাত কাটিয়ে আপনি যেতে পারেন রুমা। মিশে যেতে পারেন, আমাদেরই পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষের সঙ্গে। মনে রাখবেন তারা আপনাকে মন প্রাণ উজাড় করে আতিথিয়তা প্রদান করবে। এরা ভিন্ন কেউ নয়, ভিন্ন কোন দেশ থেকে আসা নয়। এরা আমাদের দেশের বসবাসরত এবং এরা বাংলাদেশের সন্তান অন্য কোন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী মাত্র। আপনি তাদের ব্যবহার এবং তাদের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি একটি দিন কাটিয়ে আসতে পারেন তবে মনে করবেন আপনি জীবনে অনেক কিছু পেয়েছেন। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে অনেক কিছু দেখার এবং উপলব্ধি করার সুযোগ করে দিয়েছে। আপনার জীবন পরিপূর্ণ। ঢাকা চট্টগ্রামের অলিতে গলিতে তো স্পা সেন্টার অনেক রয়েছে, তার জন্য মালয়েশিয়া কিমা ব্যাংকক যাওয়ার কী প্রয়োজন । যারা সেখানে যাই বেশিরভাগই শে স্পা সেন্টার এর মজার নেওয়ার জন্য যায় আর বাড়তি কিছু অবৈধ কিংবা বৈধ ইনকামের খরচটা বাড়াতে চায়, সামাজিক মর্যাদা বাড়াতে চায়,মানুষকে বোঝাতে চায়। আমার অনেক টাকা রয়েছে আমি ব্যাংকক থেকে ঘুরে আসলাম । কিন্তু বান্দরবানের এ সৌন্দর্য উপলব্ধি করে একবার ঘুরে আসতে পারেন আসতে পারেন ।

Live Jurney to distinction the suach The root of Bangladesh . ist Juarny Cox’s Bazar to Chimbok via Alli kodom, and nilgiliri

1st vedio for ; bnbat.com
bnbat.com

কোথায় ঘুরবেন?

Want Justice, Get “0”

The story of A Medical Representative

This is personal biography of the  life . Every word is true and this is not  any personal attack or not to be any harem any body, this is only expression of my emotion that i express….. so when you read this kindly sorry about the mention ……

ডিসেম্বর ২০১৪আমি শাহরিয়ার চৌধুরী  ৫ সাটেফিকেট নিয়ে লম‌্বা লাইন এ দাঁড়িয়ে আছি অনেক নার্ভাস হয়ে আছি । অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন কেন যে মানুষটি নার্ভাস কেন ।।।। মানুষটি একটি দুর্বলতা আছে social phobia.Social phobia নিয়ে ৫ বছরের ৮-১০ টি company  তে কাছ করার অভিজ্ঞতা উপর ভর করে ট্রেনিং এ বসলাম । স্যার *ক*  এর করা রূলে টেনি়ং ।। এ কেমন কথা সিগারেট খেতে পারব না । [ this is trouble]যে আমি শাহরিয়ার দিনে কমপ‌খে ১০ সিগারেট খাই । আমি মানুষটা স্রতের উল্টো দাঁড়ানো মানুষ আর আমার মা আমি নাকি ৯ মাসের সন্তান I নিয়ম তো ভাংবো  আমি সিগারেট তো খাব‌ঐ ,,,,,,প্রথম ২ দিন অনেক কষ্টে কাটালাম । কিন্তু পরের দিন সকালে ১ সিগারেট নিয়ে বাথরুমে লান্চ এরপর ধোঁয়া পান করলাম, কিছু নতুন  বন্ধু সঙ দিল। ৩_৪ দিন ভালোই কাটালো , আরো কিছু নতুন বন্ধু যোগ দিল । ভুলে গেছিলাম আমরা, দেশের সবচেয়ে বড় regulated training centre এ ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং নিচ্ছি। কপালে সুখ বেশিদিন সয় না , ধরা পড়লাম স্যার রুমে আসলো জিজ্ঞেস করলো কে সিগারেট খেয়েছে বাথরুমে কোন বন্ধু রেসপন্স করলো না হয়তোবা জব জব হারানোর ভয়ে, তখন একটা কথা মনে হচ্ছিল যদি কেউ স্বীকার করেনি। সবাই একসঙ্গে সবাই  ধরা খেলে একসঙ্গে অনেকের জব যেতে পারে, আমার তো জব হারানোর ভয় নাই হাতে  রক্সি পেইন্ট এর জব অ্যাপার্টমেন্ট  লেটার আছে অ্যাসিস্ট্যান্ট কোয়ালিটি ম্যানেজার ইন কোয়ালিটি ডিপার্টমেন্ট। আমি ইচ্ছে করলে সেখানে জয়েন করতে পারবো কিন্তু কিন্তু বাকি সব তো পারবে না, আমি চেয়ার ছেড়ে দাঁড়ালাম এবং বললাম আমি সিগারেট খেয়েছি বাথরুমে আমাকে অন্য একটি রুমে নিয়ে যাওয়া হল তিনজন স্যার  কথা বলল, মাফ করে দিল। সত্যি বলছি  সেদিন কান্না পেয়েছিল জব হারানোর ভয়ে নয়, আমার আমার বন্ধু যাদের সঙ্গে খুব ভালো একটা রিলেশন  উঠছে কেউ স্বীকার করেনি আমিও আমিও জড়িত ছিলাম আসলে কি আমারা বন্ধু না । বন্ধু নয় ? সবাই? হয়তো সবাই প্রফেশনাল।2015 সালে জাওয়ানি মাস দেশে অবরোধ হরতাল চলছে, অসহযোগ আন্দোলন চলছে…. তড়িঘড়ি করে পাঁচ দিন আগেই ট্রেনিং শেষ শেষ করা হলো । আমার পোস্টিং হল, কমলার শহর, সুন্দর্যের তীর্থস্থান, পূণ্যভূমি সিলেটে । জানুয়ারি 19 তারিখে জয়েন করতে হবে। আগেই বলেছি চলছে অসহযোগ আন্দোলন চলছে  কি করে সিলেট যাব, নতুন জব ।  জয়েন করব!!!!!!! নতুনভাবে লাইফ শুরু করব, ঢাকায় বাসায় ফিরলাম মিরপুর 2 নম্বর, যেখানে পাঁচটি বছর কাটিয়েছি সামান্য কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে বাড়ি আসলাম । পাঁচবিবি জয়পুরহাট- আমার বাড়ি !!! আমার পরিবারের অমতে অনেক দূরে সেই সিলেটে চাকরিতে প্রবেশ করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম , জীবনে নতুন চ্যালেঞ্জ। নতুন শহর ।কেউ পরিচিত নাই । খোঁজ পেলাম আমার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে শাহজালাল শাহ জালাল ইউনিভার্সিটি তে পড়াশোনা করে সে বাসায় এসেছে,তার বাসা সৈয়দপুরে সে সেও সিলেট ফিরবে  একই  তারিখে । একমাত্র যাওয়ার বাহন হচ্ছে ট্রেন জানুয়ারি মাসে 15 তারিখে টিকিট কাটলাম , উদ্দেশ্যে সিলেট –আমার বাবা আমাকে ট্রেনে উঠিয়ে দেওয়ার জন্য  স্টেশনে এসেছিল, স্টেশনে এসে ট্রেনে উঠে দিল দিল। বাবা যখন বাবা যখন বিদায় নিচ্ছিল তার চোখে চোখের জল ছল ছল করছিল করছিল সেদিন প্রথম বুঝতে পারি বা আমার বাবা আমাকে অনেক ভালোবাসে হয়তো বা কখনো জীবনে আমাকে আদর করে ভালবেসে বাবা বলে ডাকেনি । এখনো ইচ্ছে করে আমার বাবা আমাকে আদর করে বাবা বলে ডাকবে কিন্তু সেদিনের চোখের জল আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছিল বাবা আমাকে অনেক ভালোবাসে কিন্তু তার প্রকাশভঙ্গী টা ঠিক আমার ই মতো ,আমি তো তারই সন্তান তাই না যাত্রা শুরু করলাম নতুন ভাবে জীবনকে শুরু করার মিশন….ট্রেন যাত্রা দীর্ঘ পথ ।ফার্মাসিউটিক্যাল জব, অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ ,সবকিছু মিলে এটা এক- আমার লাইফের অগ্নিপরীক্ষা পিছনে ফিরে যাওয়ার কোন পথ খোলা নাই। সুদৃঢ়  মনোভাব  আমার যেতে হবে ।সফলতা আমার স্বপ্ন পূরণ চাবিকাঠি ,নিজেকে যে প্রামান করতে হবে ।করতেই হবে।কোনরকম ট্রেনে উঠলাম প্রচন্ড রকমের ভিড়,যেন সব মানুষ আর ঢাকা যাচ্ছে একটি বস্তা আর একটি ব্যাগ আর একটি সুটকেস নিয়ে উঠলাম ,মন খারাপ অনেক বেশি বারবার বাবার চোখের জলের স্মৃতিটা ভেসে উঠছিল আমার ভাতিজা আর দুজন বন্ধু মিলে কিছুক্ষণ এর মধ্যে মনটা ভালো করে দিল চারজন মিলে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন সুন্দর এই মেয়ে চোখাচোখি হল ভাবছিলাম যাক যাত্রা তো অন্তত রোমাঞ্চকর রোমাঞ্চকর ভুলেই গিয়েছিলাম যে সামনের এক স্টেশনে সামনের এক স্টেশনে আমার জন্য কেউ ,কেউ চোখে জল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমাকে আগামী 6 মাস দেখতে পাবে না বলে । চার বছর ,চার চারটি বছর দিনে 5 ঘন্টা কমপক্ষে ফোনে কথা বলছি যার সাথে জীবনের প্রত্যেকটা মুহূর্ত শেয়ার করতাম কি করছি কি খাচ্ছি কোথায় যাচ্ছি প্রতিটি মুহূর্ত সে হয়তো চোখের জল নিয়ে সামনে দাড়িয়ে আছে আমার জন্য আমার সঙ্গে দুই মিনিট কথা বলার জন্য । আমার আফরিন আমার আমার আর আরফিন। ট্রেন শেষ স্টেশনে এসে পৌঁছালো ভাগ্যটা সুপ্রসন্ন বলতে হবে ।ক্রসিং নিবে মিনিমাম তো 20 মিনিট লাগবে কিছুটা সময় তার সঙ্গে কথা বলতে পারব ভালো লাগছিল এ এক অন্যরকম রোমাঞ্চকর ।ট্রেন থেকে নামলাম সামনে সে দাঁড়িয়ে আমার পছন্দের নীল শাড়ি পড়ে  কপালে টিপ আর তার চুল গুলো ছেড়ে দেওয়া অসম্ভব সুন্দরী লাগছিল তাকে হয়তোবা এটাই সে তার সঙ্গে আমার শেষ দেখা সেজন্য , সে আজ নেই,এখনো মনে তার সেই ভালো লাগাটা রেশ রয়ে গেছে কি করবো ,মানুষ তো ,ভুলতে পারিনা ।যদি রোবট হতাম তাহলে সফটওয়্যার চেঞ্জ করে ভুলে যেতাম কিন্তু সেটি আমার জীবনের তার সাথে শেষ ভালো লাগার মুহূর্ত।অনেক সুন্দর কিছু ,…অনেক সুন্দর কিছু মুহূর্তের মধ্যে অন্যতম একটি মুহূর্ত ।সত্যি বলছি তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। ছিল বলছি কেন পরে আসছি সে কথায় ।আজ সে নেই আমার লাইফে জানিনা বলতেও পারবোনা।।কখনো খোঁজ নেই নি সে এখন কোথায় কেমন আছে কি করছে ।। তার সঙ্গে তার চোখে চোখ রেখে অনেক ভালোবাসা ভাব বিশ্বাস নিয়ে ট্রেনে উঠলাম আবার ট্রেন ছিল আমি চোখের আড়াল না হওয়া পর্যন্ত সে ও দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে সেটা দেখে আমার ভাতিজা যে আমার সব প্রায় সমবয়সী সে সে বলছিল মেয়েটি আমাকে অনেক ভালোবাসে মনটা ভীষণ খারাপ একটি ট্রেন যাত্রায় দুজন প্রিয় মানুষের চোখের জল দেখলাম এই চোখের জল গুলো কে শোধ করতে পারবো আমি পরি নাই কিছু কুৎসিত অমানুষ জানোয়ার আমার লাইফে যে জরিয়ে গিয়েছিল।যাদের জন্য সত্যের সঙ্গে অসত্যের লড়াইয়ে হেরে গেছি মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে সত্য হিসাবে প্রত্যেক অমানুষের কোথায় লিখবো ও মানুষেরা শাস্তি নাপাক পৃথিবী জানবে তো তারাও মানুষ অন্যায় কারী জানোয়ার মানুষ রুপি জানোয়ার। ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে  সুটকেস রাস্তায় কোনা মত রেখে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ যাত্রা শুরু করলাম…

দীর্ঘ 24 ঘন্টা পর ঢাকা এয়ারপোর্ট স্টেশনে পৌঁছলাম এর মধ্যে ভালো একটা বন্ধু হয়েছে ।মেয়ে বন্ধু ওই সুন্দরী দুজনের মধ্যে একজন তার নামটা ঠিক মনে পড়ছে না এখন।তবে তা নাম্বার চেক করে দেখলাম দ্য ট্রেন হিসাবে সেভ করে রেখেছি। সে পরিচয় দিয়েছিল সে পড়াশোনা করে তার বোনের বাসায় থেকে। হবিগঞ্জের দিকে তার বোনের বাসা কোন এক কলেজে ডিগ্রিতে পড়াশোনা করে। এ দীর্ঘ ট্রেন যাত্রায় অনেক কথাই হলো মেয়েটাকে খুব স্মার্ট সব ভালো মনে হলো । বন্ধুত্বপূর্ণ একটা সম্পর্ক স্থাপিত হলো ।সে রিকুয়েস্ট করল আগামীকাল যখন আমরা সিলেট যাব যেন একই ট্রেনে তাকে সঙ্গ দিয়ে নিয়ে যায়। ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙ্গে আর এমন একটা সুন্দরী মেয়ে অনুরোধ করতেছে তার শেভটি জার্নি পরের দিন তার ভাইকে নিয়ে স্টেশনে এসেছিল ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় করে দিয়েছিল এবং তার ভাই রিকোয়েস্ট করেছিল যেন তার বোনকে গন্তব্যস্থলে নামায় দিতে সাহায্য করি খুশিমনে তা গ্রহণ করি আচ্ছা গ্রহণ না করার কোন কি কর কারণ আছে নাই তো তাই না। এর মধ্যে আমার অফিসের রিপোর্টিং স্যার কে জানিয়ে দিয়ে জানিয়ে দিয়েছি আমি ঢাকা পৌঁছেছি সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছি। তিনি আমাকে * আমি আগামীকাল সিলেট পৌঁছে তিনি আমাকে 19 তারিখে আমার জয়নিং ডেটে পেতে জয়েন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করিলেন। আমি এসে ভাতিজার মেসে উঠলাম সেদিন 18 জানুয়ারি দুপুর বেলা আমি আমার এ জেড এম স্যার কে ফোন করে রিপোর্ট করলাম। তিনি বললেন আগামী কাল সকালে এসে যেন অফিসে জয়েন করি, তিনি আমার খোঁজ খবর নিলেন আর কোথায় থাকছি ইত্যাদি । কথা বলে ভালো লাগলো মানুষটার অনেক সৎ মনে হল আমি পরের দিন জয় জয়েন করলাম আমার স্বপ্নের চাকরি রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল এ মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার হিসাবে । আমার সাত আট বছরের সেলস রিলেটেড জব এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে জয়েন করলাম আমার জীবনের অন্যতম হিরো স্যার মোঃ শামীম হাসান এর কাছে

সকাল সকাল 8 টা 30 মিনিট যতটা সম্ভব সম্ভব পরিপাটি হয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হয়ে বের হয়ে গেলাম, আম্বরখানা। হাউজিংয়ের স্টেট অফিস। আমার অফিস। জানি আমার পূর্বের চাকরির মত কোন ডেক্স নেই কিংবা আলাদা রুম নেই বসার জন্য চেয়ার নেই। এখানে চেয়ার পেতে হলে অর্জন করতে হয় ডেট পেরিয়ে গেল তাই কিংবা আলাদা রুম অর্জন করতে হয় কঠোর পরিশ্রম সাধনা কম্পানি প্রতি ভালোবাসা আর এই  সেলস  profession এ সেলস অ্যাচিভমেন্ট অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। 9 টা বাজার 15 মিনিট আগে অফিস পৌছালাম ঠিকানা অনুযায়ী তিনতলায় গেলাম দেখলাম তিনতলা আসলে ডিপোর কার্যক্রম চলে, নিস তলায় স্যারদের  অফিস । 9 টা বাজার ঠিক 2 মিনিট আগে শামীম স্যার প্রথমে আসলো । স্যার কে সালাম দিলাম স্যার মোটরসাইকেল পার্কিং করতে করতে আমার দিকে বেশ কয়বার তাকালো ,মানে আমাকে জায করল তবে তার অমায়িক তাকানো ভঙ্গি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সত্যিকারের একজন লিডার এর মত লাগছিল। আই এম ইমপ্রেস। স্যার আমাকে অফিস খুলে বসতে দিলেন। তাকে আমার নাম পরিচয় বলতে অনেক কষ্ট হচ্ছিল ওই যে সাফার ইন সোশ্যাল ফোবিয়া লাস্ট ওয়াক আউট ইন ডিপ্রেশন। স্যার খুব সহজভাবে আমাকে নিলেন আস্তে আস্তে আমি স্বাভাবিক হলাম । অনেক নরম ব্যবহার করলো পরিচিত হলাম জানালো তার বাড়ি নওগাঁ ।আজকের পেপার এর হট নিউজ শাহরুখ খানের ছেলে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কি কি কথা বলছে। কিন্তু প্রায় 20 থেকে 25 হাজার মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ যা সবাই উচ্চশিক্ষিত কেউ কেউ সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হতে সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়ে কম্পানি গুলো কি করছে বা আমরা কি করছি নিজের স্বাধীনতা নিজের অস্তিত্ব নিজের ডিগনিটি সব বিলিয়ে দিয়ে লাঞ্ছনা হীনমন্যতা নিয়ে নিয়ে কাজ কাজ করছি। জেনে কেউ দেখার নেই ,এটা হাজার দর্শকের আফ্রিকান ক্রীতদাস। যাই হোক আমি বায়োগ্রাফি লিখেছিলাম, আমার উদ্দেশ্য নিজের অস্তিত্ব ফিরে পাওয়ার লড়াই আমি কিভাবে জাস্টিস চেয়েছি পেয়েছি 0। ফিরে আসি আমার কাহিনীতে, এজেডএম স্যার আমার সঙ্গে পরিচিত হলেন খোঁজখবর নিলেন আরো আসলেন আমার সঙ্গে প্রমোশন পেয়ে জয়েন করা স্যার কবিরাজ তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন কেন আমি এই কোম্পানিতে চাকরি করতে এসেছি কেন আমারে এ কম্পানি পছন্দ । এই জব পছন্দ করেছি ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি । জয়েনিং লেটার লিখলাম । আমাকে একজন সিনিয়র ভাই রাব্বির ভাই এর সঙ্গে কাজে পাঠানো হলো আমি আমার জব শুরু করলামতিন দিন ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার পর আমাকে আমার কর্মস্থল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য পূর্বের পূর্বের এম আই ও মাসুম ভাইকে দায়িত্ব দেওয়া হলো আমাকে আমার টেরিটরি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আমি তার সঙ্গে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম মার্কেটে আসলাম । তিনি আমাকে বললেন এই যে খুঁটি দেখছেন এখান থেকে বাবুল ড্রাগ হাউজ পর্যন্ত এবং উপরতলা নিচতলা আপনার আর একটি স্লিপ প্যাড নেন ক্যামিস্ট এর নামগুলো লেখেন তিনি আমাকে প্রায় কেমিস্ট নাম লিখতে বললেন তিনি কেমিস্ট্রির নাম বললেন আমি আমি কাগজে লিখলাম বললেন এই দোকান গুলো আপনার প্রতিদিন যাবেন এবং অর্ডার কাটবেন। তিনি আমার কাছ থেকে বিদায় নিতে চাইলেন বললেন তার জরুরী কাজ আছে I আমি শামীম স্যার কে ফোন দিলাম বললাম সব সব কথা তিনি আমাকে বললেন আপনার বড় ভাইকে নিয়ে পানসী রেস্টুরেন্ট এ খাওয়ান এবং এর সঙ্গে পরিচয় হয়ে আসবেন এবং বিলটি আমাকে দিবেন আমি আপনাকে টাকা দিয়ে দিব। তিনি আমাকে টাকা দিয়েছিলেন দুটি কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়েছিলাম দুইজন সঙ্গে বোরহানি। তারপর মাসুম ভাই আমার সিলেট স্টেশন রোড মার্কেট শ্যামল ড্রাগ হাউজ এ মালিক মিন্টুদা সঙ্গের পরিচয় করিয়ে দেন । তিনি খুব অমায়িক ভদ্র মানুষ ছিলেন আমাকে আপন করে নিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি আমাকে অনেক বিজনেস এ সাহায্য করেছেন। তারপর কামাল ড্রাগ হাউসে আজমল ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন এরপর কয়েকটা কেমিস্টের না বলে তিনি বিদায় নিয়েছিলেন আমি আমার স্যারকে রিপোর্ট করে বাসায় আসলাম এবং বিকেলে বের হয়ে কাজ করতে শুরু করলাম ডক্টর ভিজিট ভিজিট। সন্ধ্যায় শামীম স্যার মাসুম মায়ের কাছ থেকে ফিডব্যাক নিচ্ছিলেন একটু দূরে কিন্তু আমি শুনতে পাচ্ছিলাম স্যার জিজ্ঞেস করছিলেন ছেলে টি কেমন মাসুম ভাই ফিডব্যাক দিল সবই ঠিক আছে কিন্তু কথা একটু সমস্যা স্যার বললেন প্রত্যেকের তো কিছু না কিছু সমস্যা থাকে তাই না এটা কোন বিষয় নয়।।।। সত্যি সেদিন খুব ভালো লেগেছে ভালো লেগেছিল অন্ততপক্ষে কেউ একজন তো আমাকে আমার সীমাবদ্ধতা নিয়ে উপহাস হলো না বরংআমাকে ভালবাসে কাছে টেনে নিল.

The Story of A Medical Representative @ Regain letter

Want justice Get 0 No12 Radiant pharmaceutical is the radiant. yesterday local management total ignore the bill . but today i receive one of the bill about  some bill. i just informed hair management and get one bill . but still not get justice . this is only one bill that i expense in my territory.justice akhono pai nai . ta onek dur.. ami amer dignity er jonno lorsi not against company. i have still respect in company.


https://www.youtube.com/watch?v=geCwKWbFq1w

https://www.youtube.com/watch?v=geCwKWbFq1w

hitt: live ban vs win last day

এখানে একটা ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। কারো মনে প্রশ্ন উঠতে পারে আগে কেন লিখি নি। আজকে কেন লিখছি, আমি আগে রেডিয়ান ফার্মাসিটিক্যাল এর এম্প্লয় ছিলাম । আজকে অনেকেই ইচ্ছে থাকা সত্বেও যেমন আমার কোন পোস্টে লাইক শেয়ার করতে ভয় পাচ্ছে আর কি করে তারা আপনার ভাবছেন, ফার্মাসিউটিক্যালস চাকরি করে সে কোম্পানির ম্যানেজমেন্টের এগিনেস্ট এ কথা বলব বা ফেসবুকে লিখব। and  যা আমাকে কম্পানি পারমিট করে না এবং আমি জব থাকাকালীন অবস্থায় অন্য কোন কিছু করতে পারবো না। আমার অনেক আউট ইনকাম সোর্স থাকা সত্ত্বেও আমি কখনো এই রুলস এর বাইরে যাই নাই I আমি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ জানি ,ওয়েব ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট ‘I বাসায় ওই দিন 2 ঘন্টা সময় দিলে ভালো ইনকাম করতে পারো পারতাম কখনো করিনাই জব থাকার সময়। গত বছরের আর একটা প্রবলেম ছিল ইমপোর্ট করে আনা সুনামগঞ্জ হতে যাক প্রবলেমটা চলে চলে গেছে সিলেট ছেড়ে অন্য বাকি সব পরিশ্রমই ছেলেরা সুফল পাবেন বলে আশা করি। আমাদের মঈন ভাই ফুলপুর থেকে আসা উচ্চতর ম্যানেজমেন্টের আশীর্বাদপুষ্ট মাকাল ফল কলিক। প্রথম দুদিনে বুঝে বুঝে গেছি সে যখন*মার্কেট এ গিয়ে ক্যামিস্ট কে চিল্লায় চিল্লায় ফোন করে ভাই ভাই আপনি কই আমি যে একটা গিফট নিয়ে আছছিলাম। রেডিসফ্ট খুলে দেখা যাক অস্বীকার হাউসে গত বছর প্রথম দিকে কত লাখ টাকা বিজনেস রয়েছে তারপরে তার বিদেশ ট্যুর এর পরে কত টাকা বিজনেস হয়েছে। চিত্র পরিষ্কার 3 পারসেন্ট আন্ডার রেড। এন্ড অফ দা ইয়ার, হি গেট, প্রমোশন এবং সিলেট এর সবচেয়ে তে রাইজিং কর্মস্থল। আমাদের দাদা সিনিয়র ভাই যাক ছেড়ে দিলাম মিথ্যা কথার শিরোমনি কে। সে আবার সিনিয়র কনিক। ও হ্যাঁ 20 নম্বর টা শেষ হল না একজন কলিক দিয়ে শেষ করতে হবে।।।।।তক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর ধ্যান ভাংলো ফোন এর রিংটনে । আমার ভাতিজা ফোন করে বলল কালুর দোকানে আসতে সেখানে গেলাম আমাকে রেখে সে স্থানীয় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে নিয়ে গেল এবং সমস্যার কথা বললাম সে আমাদের বসায় রেখে বাসা খোঁজা জন্য গেল এবং আধা ঘন্টার মধ্যে বাসা পেয়ে গেলাম দুই রুমের ফ্ল্যাট অনেক সুন্দর একটি বাসা। মালপত্র আবার ডলফিন মরে গিয়ে নিয়ে এসে বাসায় উঠলাম। ও হ্যাঁ একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম আমার যে বন্ধুটি আমাকে বাসা খোঁজার দায়িত্বে ছিল তার ফোনে সর্বনিম্ন তিনবার বাসা থেকে ফোন করেছে বাজারের জন্য ডলফিন মোড় থেকে আসা পর্যন্ত। যাই হোক বাসায় উঠে ওয়াইফকে বললাম তোমার কি কি লাগবে বল আমি বাড়ি থেকে ঘুরে আসি আসলে আমার মূল উদ্দেশ্য মার্কেট টা কে অন্য ভাবে দেখা এটা আমার হেবিট বলতে পারেন। জলে নামার আগে কুমির কিরকম কতগুলো আছে একটু মেপে নে‌ওয়া। কক্সবাজার পান বাজার মার্কেট, মেডিসিনের হোলসেল মার্কেট দুই ঘন্টা সময় কাটলাম ,আন্দাজ করলাম, কিছু জানলাম।। বলে না ! পাতিলের ভাত সব টিপতে হয় না একটা দুটো টিপে হয়। যাই হোক একদিন রেস্ট নিয়ে পরের দিন বিকেল পাঁচটায় আমার কর্মস্থল ডিজিটাল হসপিটালের সামনে গিয়ে আমার স্যারকে ফোন দিয়ে রিপোর্ট করলাম তিনি বললেন ইমদাদ নামের কলিগ আমার সঙ্গে দেখা করে টেরিটোরি বোঝায় দিবে ওয়েট করতে থাকলাম 5:30 আবার স্যার কে ফোন দিলাম কেউ নেই একা আছি স্যার বলল দাঁড়ান দেখতেছি 6 টা নাগাদ ইমদাদ হক ভাই আসলো তার সামনে রাখলাম সে হেলমেট খুলতে খুলতে বলল সারেরা সব জানে আমি এক ঘন্টা দেরী করে আসলে কিছু হবে না। ইমদাদ অনেক কাজ করে । বলতে গেলে ইমদাদ সবকিছু কক্সবাজারের । বুঝলাম? অনেক ঝোল আছে তরকারিতে । ইমদাদ ভাই কিছুক্ষণ কথা বলে চলে গেল ।আমি ডিজিটাল হসপিটালের যতটা সম্ভব সব কিছু দেখিনি নিয়ে কাজ শুরু করলাম যে ডাক্তার রুম খোলা পাই সে ডাক্তার রুমে ঢুকে ভিজিট করে আসছি নিজের জায়গাটা পাকাপোক্ত করছি। করতে পেরেছি।। ডেফিনেটলি।।। আমার রবিউল স্যার বলতো শারিয়ার যেদিক দিয়ে হাঁটবেন পায়ের ছাপ থাকবে আমি যেখানে যেখানে কাজ করি কাজ করেছি সেখানে আমার ছাপ রাখা আছে অবশ্যই কোম্পানির ইমেজ বিল্ডিং ছাপ প্রেসক্রিপশনে বন্যার, দিন পরে প্রথম স্যারের সঙ্গে দেখা হলো অফিসে সে লড়াই করছে অমার্জিত ভাষায় ডি এস এম স্যারের সাথে কক্স ন্যাশনাল ফার্মেসি নিয়ে তার কলিক তার কলিগ ইমদাদ কে দিতে হবে II হানিমুন পিরিয়ড ইন ফার্মাসিটিক্যাল মার্কেট। প্রথম সাত দিন ভালোই গেল ,ওএল এক্সিকিউটিভ প্ল্যান এর মাধ্যমে সেলস গ্রোথ দিচ্ছি। ওয়ান বাই ওয়ান ডাক্তার কে টার্গেট করছি তাকে রেডিয়েন্ট এ আনছি । প্রেসক্রিপশন বাড়ছে এখনো তা প্রমাণ আছে আমি লাস্ট মাসে 4p te বোধহয় সর্বোচ্চ ছিলাম।। আমার স্যার আমাকে সময় দিচ্ছে। কয়দিন পর খেয়াল খেয়াল করলাম আমার স্যার এই সুমন স্যার আর দীপঙ্কর দা ছাড়া সমর চক্রবর্তী মাঝে মাঝে আর বাকিটা সময় সিস্টার ডেক্স এর সামনে বসে প্রসুন্ন চেম্বারের সামনে মোবাইলে কলিং দেরকে গালিগালাজ ছাড়া আর কিছুই করে না। সে আমাকে সাজেশন দেয়। একজন ডিউটি ডাক্তার কে মাসে 40 থেকে 50 বি আর দিতে হবে। আর এই কয় দিনে বুঝলাম, তিনি আসলে 24 ক্যারেট সোনার মত পিওর মাল বিক্রি করা পার্টি। আমাকে আমার অবস্থান ঠিক রেখে নিজের মতো করে টিভি সেজে নিয়ে কাজ করতে হবে ।আমাকে যে কাছে ভাল করতেই হবে । প্রথম দেড় মাস ভালোই কাটলো। বিপত্তি শুরু হল যখন গুরুত্বপূর্ণ একজন ডক্টর ইমার্জেন্সি বেসিস d2d সাপোট চাইল। তাকে রিকুয়েস্ট করেও রাজি হচ্ছিল না অথচ তিনি গুরুত্বপূর্ণ তাকে রিকোয়েস্ট করে রিকোয়েস্ট করলাম তিনি যেন ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে এবং আমার সাপোর্ট টা পাস করে তিনি পরিষ্কার করে বললেন তিনি কারো সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। এটা আমার কাজ আমার অ্যাচিভমেন্ট আমাকে কিছু একটা করতে হবে আমি ডি এস এম এবং ডিজিএম স্যার কে এসএমএস করলাম হেল্পের জন্য ডিজে এম স্যার আমাকে সারা সারা দিল তিনি আমাকে ইফতারের পর ফোন দিতে বলল । রমজান মাস সারাদিন বাসায় যায়নি কাজ করেছি ইফতার ও করেছি বাহিরে সন্ধ্যার ডি জি এম স্যারের সঙ্গে কথা হল । তিনি আমাকে আশ্বস্ত করলেন এবং আমার স্যারের সঙ্গে কথা কথা বলবেন, মনে হয় তাকে যুক্তি দিয়ে বোঝাতে পেরেছিলাম ডাক্তারের গুরুত্ব। পরের দিন সকালে আমাকে অফিসে ডাকলো । সেখানে ডাক্তারের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠল আমি কেন ডিজিএম স্যার কে মিস্টার ফরহাদ হোসেন এর অনুমতি ছাড়া ফোন দিয়েছি, তিনি পরিষ্কার করে বললেন ,যেহেতু আমি তাকে না জানিয়ে ফোন দিয়েছি তিনি সাপোর্টের সাইন করবেন না। সাপোর্টার দেওয়া হলো না। বরং তাকে যখন তার রুমে নিয়ে যাই, ডক্টর কে চরম ইনসাল্ট করল। ফর্সা ডক্টর মানুষ লজ্জায় লাল হয়ে গিয়েছিল । সন্ধ্যায় ইফতারের পর হেডকোয়ার্টার 6জন কলিক এবং দুজন স্যার সবার সবার সামনে বকাবকি করলো। আমি ছাড়া বাকি সবাইকে ছুটি দেওয়া হল । আমাকে দাঁড়িয়ে রেখে, তারা দুজন উপরে গেল, আবার নিচে নেমে আসলো, আমাকে বলল আমি যেন রাত সাড়ে বারোটা পর্যন্ত বৃষ্টির মাঝে দাঁড়িয়ে থাকি। তখন কক্সবাজারে তিন কি চার নম্বর বিপদ সংকেত হচ্ছিল। দুইজন স্যারের থে্রট। মিস্টার ফরহাদ হোসেন তো চিল্লায় ডিজিটাল হসপিটাল মাথায তুলল এবং এনাম স্যার এ বলে ঠান্ডা মাথায় কানের কাছে এসে যদি আপনি আজ আমার হেড এ থাকতেন। তাহলে কালকে আপনি জব এ থাকতে পারতেন না। আমাকে ডিজিটাল হসপিটালের বারান্দা হতে দুজন স্যার দুই হাত ধরে বৃষ্টির মাঝে মোটরসাইকেল যেখানে দ্বারা করে আছে সেখানে গিয়ে রাত্রি সাড়ে বারোটা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তি দিল তখন বাজে মাত্র বড়জোর সাড়ে আটটা। হ্যাঁ আমি অপরাধ করেছি চিন আপ কমান্ড ভেঙে কম্পানি ভালোর জন্য ম্যানেজমেন্ট লেভেল এ কথা বলেছি । কিন্তু এটা কোন শাস্তি। সায়রা চলে গেল কিছুক্ষণ হসপিটালের সিকিউরিটি গার্ড বলল, ক্যানসারকে ইন্ডিকেট করে সে অনেক বেশি অমানুষ । রাত দশটার মধ্যে সবকিছু বন্ধ হয়ে গেল। শুধু আমি দাঁড়িয়ে আর সিকিউরিটি গার্ড অফ ডিজিটাল হসপিটাল , পার্থক্য এই সে সিকিউরিটি গার্ডের জব করে ছাদের নিচে বসে আর আমি তীব্র ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি তে standing without rain code । আমিরা রাত পৌনে একটায় স্যার কে ফোন করে বাড়ি বাসায় যাওয়ার অনুমতি নিয়ে বাসায় এসেছিলাম। কিছু সময় ছিলাম তাদের বোঝানো যে আমি এর থেকে বেশি মানসিক অত্যাচার সহ্য করে সিলেট থেকে ট্রানসফার হয়ে এসেছি । কিভাবে আলেমগণ অফ সিলেট ,আমাকে বলির পাঠা বানিয়েছে।।। বৃষ্টির ফোঁটা ,চোখের  জল থেকে বোধায় কম ছিল। শামীম স্যার এর কথা বড্ড বেশি মনে পড়ছিল আর রবিউল স্যার ,তিনি যদি আমার এজেডএম থাকতেন তাহলে আমি আজ রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করতাম। বড্ড বেশি মিস করছিলাম।রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল এ আমার জয়েন করার পর থেকে তখন অব্দি প্রত্যেকটি স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে আসছিল Iআমি আমার সাধ্যমত এই কোম্পানিকে কি দেই নাই তার বিনিময়ে আজ এটা পাচ্ছি এটা আমার প্রাপ্য। সত্যিই প্রাপ্য কারণ,  এটা তাদের ইনসিকিউরিটি । কি সেই ইনসিকিউরিটি আমাকে খুঁজে বের করতে হবে।এই অমানবিকতা মুখ বুজে সহ্য করে নেওয়া ছেলে আমি নই। আমার শরীরে স্যার মহাম্মদ মামুনুরশিদ চৌধুরির রক্ত যে ব‌ইছে ।। আমি তাদের দুর্নীতি খুজে বের করব উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করব যদি এর জন্য আমার জব চলে যায় কিংবা জেল খাটতে হয় তবু করবো ছাড়বো না আমি আল মাহমুদ শাহরিয়া চৌধুরী বলছি ছেড়ে দেবো না @ এর পরের বার থেকে সিলেট ফিরে যাব সেখানে প্রত্যেকটি দুর্নীতির কথা সামনে আনবো।সে যত বড়ই হোক ।এর জন্য যে কোনো পরিণতি মেনে নিতে আমি প্রস্তুত। এমনকি মৃত্যু আমাকে এগুলো প্রকাশ করতে রুখতে পারবে না। আমি কাউকে কথা দিয়েছি যে আমি আজ হজ করলাম আজ থেকে কাউকে এক বিন্দু পরিমাণ আন‌ইথিকাল প্রাকটিস করতে দিব না এবং যেখানে থাকব এর শেকড় উপড়ে ফেলবো…..সিলেট মার্কেট সম্পর্কে বলতে যাওয়ার আগে। যেখান থেকে শেষ করেছিলাম সিলেট পর্ব সেখান থেকে আবার শুরু করি মাসুম ভাই আমাকে মার্কেট বুঝিয়ে দেওয়ার সময় একটু ভাল সাজেশন দেয় আমি যেন আমার বড় দুই দোকান শ্যামল কামালকে প্রতি মাসে একটি করে ভালো গিফট দিয়ে আসি। আমি কথাটা রাব্বি ভাইয়ের সঙ্গে শেয়ার করি রাবি ভাই একজন চমৎকার মানুষ তিনি আমাকে সাজেশন দেন আমি যেন স্যারকে জানাই তার অনুমতি না নিয়ে কিছুতেই তা যেন না দেই । শামিম স্যারকে এ কথা বলার কখনো সাহস পায়নি । আমি প্রথম কোন শিকার হই যখন আমার সানি ড্রাগ এর আইস ড্রাগ হাউজ এর নামে । আমি ডিপুতে ফোন দিয়েছি কোন ভুল হয়েছে কিনা । তারপর স্যার কে জানিয়েছি এটা তারপর ঠিক কী ঘটেছিল কি হয়েছিল ঠিক জানি না সিলেট মার্কেট প্রাগৈতিহাসিক ভাবে একটি করাপ্টেড মার্কেট সরি করাপ্টেড হোলসেল মার্কেট Iএকজন কেমিস্ট দাবি করে সে আট হাজার টাকা পায় যখন one sr. mio এখান থেকে প্রমোশন পেয়ে ট্রানসফার হয়ে কমিল্লা যায় কিন্তু টাকা পরিশোধ করে করে নাই। ঘটনাটা ঠিক 5 ,7 বছর আগের। কল্লোল নন্দি সাক্ষী তার সামনে শোফন দা গল্প করেছে I কল্লোল নন্দি কে যখন তার বাসায় নিয়ে যায়,তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য। আমরা কি দেখি নাই কোন কোন ম্যানেজার মটর সাইকেলের পিছনে গিফট নিয়ে কেমিস্ট্রির বাসায় দিয়ে আসে, এম আই ও কে বলে যাও ওমুক দোকানে আজকে বড় অর্ডার দিবে আর অর্ডারটা নিয়ে আমাকে দিও যদি কম হয় আমি বাড়ায় দিব। আমরা কি চোখ বন্ধ করে ছিলাম ,নকশি কাঁথা কিমা কাটলেট সেট কিংবা হোম টেক্স এর থেকেও দামি বাসায় ব্যবহৃত জিনিস নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু স্যার কে কেমিস্ট্রির বাসায় যাওয়া যাতে পরের দিন বড় এমাউন্টের অর্ডার হয়। কোন দিক থেকে শুরু করব বুঝতে পারছি না I আমরা শহরে ছিলাম 20 থেকে 25 জনের মতো ।। 50 টি চোখ ফাঁকি দিয়ে আপনি কিভাবে ান ইতি কাল প্র্যাকটিস করবেন দিনের পর দিন। তাহলে কি সেখানে কোন অন ইথিক্যাল প্রাক্টিস ঘটে নাই। একটা কাজ করি সিরিয়ালে আসি, হয়তো ভাবতে পারেন এটা মনগড়া কথা কিন্তু না এটা আমার ইনফর্মার এবং স্ট্যান্ড অফ রিলেশনশিপ কোন টি ও অসত্য নয় 19/20 হতে হতে হতে পারে। 15-20 নয় II যার প্রমাণ হিসেবে বলি 1 বছর আগে আমি সেলস ম্যানেজার স্যারকে বলেছিলাম জৈন্তা মার্কেট আর কানাইঘাট মার্কেটে একটি দোকান থেকে হোলসেল প্রডাক্ট আসছে। স্যার উত্তর দিয়েছিল,…..জানেন আপনি? এ দুটি মার্কেট হলো আমাদের এ ফাটাএই মার্কেট এখানে দুনম্বরী হওয়ার কোন চান্স নেই। আজকে জৈন্তা মার্কেটের তার ঠিক এক বছর পর জব চলে যায় নাই। কানাইঘাটের মার্কেটে কেমিস্ট্রির দোকানের সেলস , ষাট সত্তর হাজার থেকে দশ হাজার নেমে আসে নাই ,শুধুমাত্র এম আই ও চেঞ্জ করে দেওয়া কারণে। aktu তো বিশ্বাস তো হলো যা লিখবো তার মধ্যে অসত্যের কোনো অবকাশ নাই। কারণ আমার হাতে 72 ইনভয়েস এখনো সুরক্ষিত??? হ্যাঁ এগুলো কালেক্ট করতে গিয়ে আমাকে কোম্পানি রুলস এর বাহিরে যেতে হয়েছে I তাহলে দ্য হিস্ট্রি অফ সিলেট হোলসেল মার্কেট. স্বর্ণা ড্রাগ হাউস: আমাদের সিনিয়র এম আই এম মাসুদ রানা। মালিক কে মারা গেছে সৃষ্টিকর্তা থাকে স্বর্গ প্রদান করুক। তা তাহলে যে কোন সময় ফোন দিয়ে, যেকোনো হায়ার ম্যানেজমেন্টকে joto ত কেচ্ছা কাহিনী আছে সব বলতো, যদি আমি বলতে বলতাম। তাসমিয়া ড্রাগ হাউস: কেন জানি সাথে কখনো দাগ হতে দে না যে ছেলে মোটরসাইকেল চকচক করে স্মার্ট বয় সে কি না 1০ হাজার টাকা ফার্মেসি সামাল দিতে গিফটে প্রয়োজন হয়! মেডিকেয়ার ফার্মেসি: আমার ভাই। অজয় দা। এ ফার্মেসি বিজনেস তিনটি ভাগে ভাগ করা যাবে প্রথম ভাগ তার নিজের নেট ।দ্বিতীয় বিয়ার ড্রাগ হোসেন নিট তৃতীয় একটি নেট ছিল যা এখন বন্ধ সে কথায় পরে আসছি নিট কোনটা ছিল: আইমান: 5 থেকে 7 হাজার টাকার সর্বোচ্চ 10 হাজার টাকার ফার্মেসি হঠাৎ সর্বোচ্চ বিজনেস 50 হাজারের কাছাকাছি গর 30 এর উপরে আবার? হঠাৎ এখন নাই। সাইফুল আপনি নিজেকে যতটা চালাক ভাবেন ঠিক ততটা লোকে আপনাকে বোকা ভাবে। আর আপনার কি দোষ বলুন আপনি তো আপনার সুপিরিয়র আরএম স্যারের নির্দেশ পালন করতে ছিলেন মাত্র। তুলি ফার্মেসি: কি মাসুদ ভাই মুচকি হাসেন কেন। প্রমোশন পেয়েছেন এখন একটু ভালো হয়ে যান। জি এন ড্রাগ হাউজ আপনার হেড এ ছিল। আমার মাথায় আসেনা আপনি চ্যানেল continue করলেন day by day . how is possible Iএকদিন ম্যানেজমেন্ট এর অন্তরালে ,একটাও ইনভয়েস হয় না I this is একটা হোলসেল মার্কেট এর দোকানে I কিন্তু তার দোকান হতে হাজার হাজার টাকার পোডাক বিভিন্ন দোকানে ছড়ায় পড়ছে, কে কিভাবে এটা সম্ভব । জবাব দিলেন না কখনো। কামাল ড্রাগ হাউস: আজমুল ভাইকে সবাই গলাকাটা বলে।। এর ডিফেন্স আমি কিছু বলবো না। শুধু একটা কথা বলব, যেদিন আমি ট্রান্সফর হয়ে আসি সেদিন তার ছেলে মেয়ে কান্না আমি কোনমতে থামাতে পারছিলাম না। দিস ইজ দা স্ট্যান্ড অফ রিলেশনশিপ of শাহরিয়ার Iআমার সব চাইতে কষ্টের জায়গা শামীম স্যারের হাত দিয়ে তৈরি কলিক। তাকে আমি হাতে কলমে ধরে কাজ শিখিয়েছি। তৈরি করেছি একজন ডায়নামিক। আমার তৎকালীন স্যার অব্দি তাকে আগে ইউজ করেছে আর কুবুদ্ধি দিয়ে জান্নাত ফানুসে কে বানিয়েছে দেড় লক্ষ টাকা ফার্মেসি। সানি ডাগ হাউসে ইনভেস্টমেন্ট বিজনেস করে আসছে আরো কিছু ফার্মেসী নাম বলবো মহামায়া আর একটা ফার্মেসির নাম মন ঠিক মনে পড়ছে না এখন ডাইরি খুলে দেখতে হবে। এই যে তাকে একজন প্রফেশনাল ডাইনামিক এম আই ও কে নষ্ট করা হচ্ছে দিনের পর দিন এর জন্য দায়ী কে………???

 

?আমার সব চাইতে কষ্টের জায়গা শামীম স্যারের হাত দিয়ে তৈরি কলিক। তাকে আমি হাতে কলমে ধরে কাজ শিখিয়েছি। তৈরি করেছি একজন ডায়নামিক। আমার তৎকালীন স্যার অব্দি তাকে আগে ইউজ করেছে আর কুবুদ্ধি দিয়ে জান্নাত ফানুসে কে বানিয়েছে দেড় লক্ষ টাকা ফার্মেসি। সানি ডাগ হাউসে ইনভেস্টমেন্ট বিজনেস করে আসছে আরো কিছু ফার্মেসী নাম বলবো মহামায়া আর একটা ফার্মেসির নাম মন ঠিক মনে পড়ছে না এখন ডাইরি খুলে দেখতে হবে। এই যে তাকে একজন প্রফেশনাল ডাইনামিক এম আই ও কে নষ্ট করা হচ্ছে দিনের পর দিন এর জন্য দায়ী কে?? । ?আমার সব চাইতে কষ্টের জায়গা শামীম স্যারের হাত দিয়ে তৈরি কলিক। তাকে আমি হাতে কলমে ধরে কাজ শিখিয়েছি। তৈরি করেছি একজন ডায়নামিক। আমার তৎকালীন স্যার অব্দি তাকে আগে ইউজ করেছে আর কুবুদ্ধি দিয়ে জান্নাত ফানুসে কে বানিয়েছে দেড় লক্ষ টাকা ফার্মেসি। সানি ডাগ হাউসে ইনভেস্টমেন্ট বিজনেস করে আসছে আরো কিছু ফার্মেসী নাম বলবো মহামায়া আর একটা ফার্মেসির নাম মন ঠিক মনে পড়ছে না এখন ডাইরি খুলে দেখতে হবে। এই যে তাকে একজন প্রফেশনাল ডাইনামিক এম আই ও কে নষ্ট করা হচ্ছে দিনের পর দিন এর জন্য দায়ী কে??

একটি বড় পর্দা ঘটনা রেখে সিলেটের অভিযোগ পর্ব শেষ করতে চাই। ইতিহাস সময় লেখে না। কেউ ইতিহাস হয়ে যাবে । আমি একটি ইনভয়েস নিয়ে সেলস ম্যানেজারের স্যাররে রুমে গিয়েছিলাম, যদিও আগের দিন থেকে অভিযোগ করা সেটা প্রডাক্ট আসছি আমার দোকানে। কি প্রোডাক্ট অর্ডার আছে আসবে তার সংখ্যা পর্যন্ত দিয়ে পড়েছিলাম আগের দিন । সেদিন ঠিক ঐ প্রডাক্ট আসছিল এবং আমি নিন ভয়েস দিয়েছিলাম এবং সঙ্গে কিছু হাতের লেখা ছিল যার সাথে আমার অর্ডার লিস্ট এস 95%শতাংশ মিল ছিল। সেদিনের সেই এম আই ও ক্ষমা করে দিয়ে মোস্তফা কামাল স্যার এরকম আরো পাঁচটি কমপক্ষে এম আই ও তৈরি করার সুযোগ করে দিলেন। যারা মনে করে এখনো এরকম ধরা পরলেও চাকরি যাবে না। সারের শুধু বড় বড় কথাই বলবে মিটিংয়ে অন্য কিছু না। আপনি ক্ষমা করে দিলেন কিন্তু আমি তো একটা পুরস্কারের যোগ্য ছিলাম যে আমি এক একটা করাপশন ধরাই দিয়েছি। যাহা চেয়ারম্যান স্যার এর অঙ্গীকার। বদলে আমি পাইয়াছিলাম একটি ওয়ার্নিং লেটার। এ থেকে সিলেটের আর একবার ফিরব কারন সেখানে আমার প্রেম কাহিনী বিয়ে সংসার অনেক কিছুই আছে তখন না হয় আমার আজিজ ভাই সঙ্গে কিছু মুহূর্ত যাহা জানি ।তাহা লিখি বলে আশা করি। এর পরের পার্ট টু গামে শুরু করব *হু আই এম* আমি ছোট বেলা থেকে একটা প্রশ্ন উত্তর খুঁজে ফিরি ।ইতিহাস সম্পর্কিত পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাস আমার প্রশ্ন আছে কেউ কখনো কনফেস করতে পারেননি কেন মীরজাফর মূল খলনায়ক এবং সিরাজদৌলা নায়ক । ইহা ইতিহাস আমরা কেউ দেখি নাই। আমার আজকে ইচ্ছা জাগতে পারে আমি আজকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হব। যেমনটা ইচ্ছা জেগেছে ডক্টর কামাল হোসেন এর। ঠিক তেমনি ইচ্ছে জেগেছে মীরজাফরের আমি বাংলার নবাব হওয়ার যোগ্য । আমি আমি বাংলা নবাব হব হতে চাই।এখন আমাকে বলেন আমার পাশে দুইজন ব্যক্তি আছে একজনের নাম জগত সেট আর একজন রাজবল্লভ যদি না ভুল না করি । তারা বলল শাহরিয়ার আপনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা করে দিচ্ছি আপনি হতে পারবেন কালকের মধ্যেই। পাশে আর আর একজন বলতেছে প্রধানমন্ত্রী হলে কি কি সুবিধা পাবো আমি,তখন তো ইচ্ছাটা আরো বেশি জোরালো হয়ে উঠবে প্রকট আকার ধারণ করবে প্রধানমন্ত্রী হওয়া অনেকটাই সম্ভব। তারা আমার তারা আমাকে ইউজ করে ক্ষমতার আসনে বসায় দিল মূল ক্ষমতা তাদের হাতে রাখার চেষ্টা করলো। কিন্তু তাদের শেষ রক্ষাটা শেষ রক্ষা হয়নি। ইংরেজদের দক্ষ রণকৌশল আর বুদ্ধিদীপ্ত আধুনিক লিডার দ্বারা। ইংরেজগণ দুইশত বছর শাসন করেছে। তাদের অবদানের কথা আমরা বাদ দিলাম, আমরা আজও তাদের লিখে যাওয়া আইন দিয়ে দেশ চালায়। আজ আমরা যখন কাউকে গালি দেই তখন মীরজাফর বলে কিন্তু আসলে কি মীর জাফর দোষী না জগৎশেঠ, রাজবল্লভ। নেতাজি সুভাষচন্দ্র না হলে গান্ধী কখনোই ইংলিশ মুক্ত করতে পারত না। আজ নেতাজী সুভাষ চন্দ্র ক‌ই। প্রতিটি ঘটনার ইতিহাস লেখা হয় 50 বছর পর থেকে সর্বনিম্ন। পলাশীর যুদ্ধের পর যতই ইতিহাস লেখা হয়েছে 100 বছর ধরে কিংবা দেড়শ বছর ধরে বেশিরভাগ লেখক হল উচ্চবর্ণীয় হিন্দু সম্প্রদায়। যদি সেখানে কোন মুসলমান সম্প্রদায় লেখক হত নিশ্চিত ভাবে জগৎশেঠ কিংবা রাজবল্লভ বলে বলে অন্যকে গালি প্রদান করিতাম মীরজাফর বলে নয়। এটাই সত্য। ইতিহাস লেখা হয়, ইতিহাস তৈরি হয়। হয়ত আমার এই প্রচেষ্টা অনেক ছোট কেউ হাসে আবার কেউ উপহাস করে কিন্তু মনে রাখবেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য ছিল রোমান সাম্রাজ্য যেখানে সূর্য উঠলো একদিক থেকে অন্যদিকে সূর্য ডুবে সেটা ও রোমান সাম্রাজ্য। কিন্তু রোমান সাম্রাজ্য পতন হয়েছে মাত্র একটি ছোট জাতি গোষ্ঠী দ্বারা যুদ্ধ ছিল 300 এর কম । আমার প্রচেষ্টা ছোট হতে পারে কিন্তু অমূলক নয় আমি পাগল নই সুস্থ। একটি বড় পর্দা ঘটনা রেখে সিলেটের অভিযোগ পর্ব শেষ করতে চাই। ইতিহাস সময় লেখে না। কেউ ইতিহাস হয়ে যাবে । আমি একটি ইনভয়েস নিয়ে সেলস ম্যানেজারের স্যাররে রুমে গিয়েছিলাম, যদিও আগের দিন থেকে অভিযোগ করা সেটা প্রডাক্ট আসছি আমার দোকানে। কি প্রোডাক্ট অর্ডার আছে আসবে তার সংখ্যা পর্যন্ত দিয়ে পড়েছিলাম আগের দিন । সেদিন ঠিক ঐ প্রডাক্ট আসছিল এবং আমি নিন ভয়েস দিয়েছিলাম এবং সঙ্গে কিছু হাতের লেখা ছিল যার সাথে আমার অর্ডার লিস্ট এস 95%শতাংশ মিল ছিল। সেদিনের সেই এম আই ও ক্ষমা করে দিয়ে মোস্তফা কামাল স্যার এরকম আরো পাঁচটি কমপক্ষে এম আই ও তৈরি করার সুযোগ করে দিলেন। যারা মনে করে এখনো এরকম ধরা পরলেও চাকরি যাবে না। সারের শুধু বড় বড় কথাই বলবে মিটিংয়ে অন্য কিছু না। আপনি ক্ষমা করে দিলেন কিন্তু আমি তো একটা পুরস্কারের যোগ্য ছিলাম যে আমি এক একটা করাপশন ধরাই দিয়েছি। যাহা চেয়ারম্যান স্যার এর অঙ্গীকার। বদলে আমি পাইয়াছিলাম একটি ওয়ার্নিং লেটার। এ থেকে সিলেটের আর একবার ফিরব কারন সেখানে আমার প্রেম কাহিনী বিয়ে সংসার অনেক কিছুই আছে তখন না হয় আমার আজিজ ভাই সঙ্গে কিছু মুহূর্ত যাহা জানি ।তাহা লিখি বলে আশা করি। এর পরের পার্ট টু গামে শুরু করব *হু আই এম* আমি স্যার নেপোলিয়ান এর ভক্ত। কঠিন সাধনা পরিশ্রম হাল ছেড়ে না দেওয়া আমার বৈশিষ্ট্য। যদি স্যার আলেকজান্ডার,হিমালয় পর্বতমালা অতিক্রম করে ,ভারত জয় করতেন ,তাহলে আমরা ইউরোপের মত কোন দেশে বসবাস করতাম। কারন টা দেখেন ,তিনি তখন যে সব দেশ দখল করে করেছিলেন সেই সব দেশ এখন বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশগুলোর এক একটা। তিনি এভারেস্ট জয় করতে পারেনি বলেই ব্রিটিশরা শাসন করে গেছে। তারা শাসন করতে গিয়েই তাদের সুবিধা মত রাস্তাঘাট উন্নয়ন করেছে। যার সুফল বা যার উপর ভর করে আজকের ইন্ডিয়া/ পাকিস্তান ,শেষ তাদের কাতারে শেখ হাসিনা নেতৃত্বে এবং স্বপন ভাইদের মত জিনিয়াসদের নিয়ে আজকের আমাদের বাংলাদেশ। সাহস কাউকে না কাউকে করতেই হয়। কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হয় । সবাই আসে না, কেউ কেউ আসে তাদের মধ্যে 2,1 জন ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে। আমি আমার ইতিহাস নিজে লিখিতেছি। অমর জন্য নয়, ইতিহাস লেখা হবে সত্যি ইতিহাস মানুষ জাস্টিস করবে সেটা জিরো হবে না ,অন্য কিছু । আমি জাস্ট ই চেয়েছি ,জাস্টিস চাই। রোমান সম্রাট নিরো।মধ্যরাতে তার খোয়াইস জাগল। তিনি বেহালায় করুন সুর তুলবেন। সৈনিকদের নির্দেশ দিলেন, পুরো রোম কে জ্বালিয়ে দিতে তিনি প্রাসাদের চূড়ায় বসে জানলা দিয়ে বেলা বাজাচ্ছেন মানুষ জীবন বাঁচানোর জন্য দিক বেদিক ছুটাছুটি করছেন । মানুষ আগুনে পুড়ে মরছে, বাড়িঘর জ্বলে পুড়ে ছারখার, পুরো রোম । আর তিনি বেহালার সুর বাজাচ্ছেন। ঠিক তেমনি আমাদের এই ফার্মাসিটিক্যাল মার্কেটে মিড লেভেল ম্যানেজমেন্ট হল সম্রাট নিরো আর আমরা যারা , যাদের নাম বলা হয় *ফিল্ট ফোর্স *মূলত আফ্রিকান ক্রীতদাস এর আপডেট ভার্সন। কোন সম্রাট নিরো খোয়াইশ জাগল কিংবা বাসায় বৌয়ের সঙ্গে ঝগড়া করে এসে নিজে তিনি নিজে কিংবা তার সৈনিক কে দিয়ে কোন ক্রীতদাস কে চাবুক মেরে মেরে মন ভালো করতে হবে। এতোটুকু দয়া হয় না এই ক্রীতদাসটি একটি পরিবার আছে। তার সম্মান আছে ,তিনি হয়তো সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাদ দিলাম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী, কিন্তু তাকে চাবুক মেরে মেরে নিঃশেষ করে দেওয়াই হল তারা কাজ। বাংলাদেশ তো বেকার মুক্ত তাহলে 20000 সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী আফ্রিকান ক্রীতদাস কেন আজকের সমাজে। যদি 20 হাজার ক্রীতদাস হয় এবং তাদের পরিবার হিসাব করলে কিন্তু দাসের সংখ্যা দশ লক্ষ কম হবে না। যাদের দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে রক্ত ভক্ষণকারিরা। আমি আমার জিনিয়াস বড় ভাই আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ভাইকে অনুরোধ করবো তিনি তো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে তরীতেযুক্ত থাকবেন। যেন বাংলাদেশি বসবাসকারী 20 লক্ষ আফ্রিকান ক্রীতদাস মুক্তির নিঃশ্বাস নিতে পারে। সম্মানের সহিত তো ফার্মাসিটিক্যাল জব । যে পেশা আজকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাকেই টিকিএ রেগেছে। কারণ এই ক্রীতদাস গন যদি ডক্টর চেম্বার এ ঢোকা বন্ধ করে দেয় তাহলে আগামী বছর বছর গুলোতে আমি ডাক্তারদের সম্মান রেখেই বলছি আপনাদের প্রেসক্রিপশনের আপডেট হবে না ।রোগী মারা যাবে , আপনাদেরই অজ্ঞতাই ?? কি চিকিৎসা দেবন,আমি কোন ওষুধ টা লিখবেন,কোনটাতে কাজ হবেভাই,আবু সাঈদ আল স্বপন জানি আপনি এমপি হবেন। যে আসনে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল হতে একটি কলাগাছ দাঁড় করিয়ে দিলে।তিনি জিতে যেতে। আজ সেখানে পরিবর্তন। আজ সেখানে আপনি আমাদের রক্ষাকর্তা এবং উন্নয়নের নতুন দিনের স্বপ্নের সারথি,নেতা এবং শেষ ভরসাস্থল,তাই বলছি,বঙ্গবন্ধ বাংলাদেশ হতে ক্রীতদাসদের মুক্তির উদ্যোগ নিন। ঈশ্তেহার এ এটি রাখুন।

 

 

WANT justice get 0

 

সিলেট থেকে ফিরতে । এজে মায়া নগরি। বাংলাদেশের অন্যতম একটি সুন্দর শহর সত্যি যেন এই এক ভালোবাসার নগরী।এই নগরীকে যারা কলুষিত করে রেখেছিল দিনের পর দিন আমার চাওয়া জাস্টিস সেটি। কেন টানা দুই বছর সিলেট হোলসেল মার্কেট থেকে ফার্মেসির নাম ধরি এক্স হতে ধীরাই মার্কেটের ফার্মেসির নাম দেওয়া যাক ওয়াই এ প্রডাক্ট যখন মাইগ্রেট হয় দিনের পর দিন ।একটা নিড ছিল মেডিকেয়ার ফার্মেসির। মনে আছে নিড হলো।ওয়াই ফার্মেসি যখন 70 কিংবা 80 হাজার টাকার অর্ডার দিয়েছে তখন স্যার দের টার্গেট অনুযায়ী 50000 করি চার সপ্তাহে যেন দুই লাখ টাকা বিক্রি হয় আর দিরাইয়ে মার্কেটে যেন সেলস দেড় লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকা হলেই এটি একটি সাড়ে তিন লক্ষ থেকে চার লক্ষ টাকা হিসেবে পরিগণিত হবে। কিন্তু সেটা একটু বেশি কাজ করতো কর্মঠ হেলো সে কারণে সপ্তায় অর্ডার যখন 60 থেকে 70 হাজার হত তখন এক্স ফার্মেসিতে বেঁধে দেওয়া 40 হাজার টাকার বেশি একদিনে অর্ডার দেওয়া যাবে না। তাই 40 হাজার টাকা এবং মনে মনে আছে কিনা আইমান কথা সেখানে 5000 টাকা ফার্মেসি কিভাবে 50 হাজার টাকায় বিজনেস উন্নত হয়েছিল। সেখানে বাকি যে বিশ হাজার টাকা অর্ডার দেওয়া হতো কিন্তু আই মানে তো বিজনেস ম্যাচ করে না একসঙ্গে 20000 টাকা দেওয়ারও অর্ডার তাই করত। তাই সে বিভিন্ন ফার্মেসিতে এই গিফট এর মাধ্যমে দিত। আর যে দিস্ট্রিবিউশন করত তার সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক ছিল ।সেই সে আমার ভালো ইনফর্মার ছিল ।হি উইন হার জব ভেরি স্মার্ট লি। তো আমার দোকানে একটু অর্ডার বেশি আসবে এটাই স্বাভাবিক আমি জানতাম আমার আর এম স্যার কে জানিয়েছি। সে কি বলে জানেন, এটাতো কোনো পাপ নয় ,আপনার দোকানে অর্ডার দিচ্ছে বড়রা তো তারাই নিচ্ছে বড়।দেখেন আরো বেশি করে নেওয়া যায় কিনা। পোডাক দিয়ে যাচ্ছে আমার এজেডএম স্যার কি সেলস ম্যানেজার । অবাক হইনি তার কথায় আমি শুধু জাস্টিফাই নিচ্ছিলাম। শাহরিয়ার একটা ওরা যেন বাইরে না যায়। এই দোকানে যেন অর্ডার আর মাসুদ আপনি ওই দিকটা দেখেন।অফিসে টিম মিটিংয়ে সে বলেছে,বাকি কলির‌রা সাক্ষী।   শ্রাবনের মেঘ মাল্লার মাতাল নৌকার মতো ভেসে যায় তীরে পৌঁছায় যদি না পৌঁছায় ডুবে যাব এর বেশি কিছু তো নয় আমার জীবন ডুবে যাওয়া নয়তোবা ঝড়ের বেগে এগিয়ে যাওয়া মাঝে মাঝে শীত নৌকার মত বাঁচতে চাই না। আমার জীবন দর্শন টা এরকম। কেন জানি ছিপ নৌকার মত বাঁচতে চাই না। আমার বন্ধুরা ভয় পেয়ে গেছে ।তারা আমার পেজ এ আর লাইক কমেন্ট শেয়ার করে না। অনেকে হাসাহাসি করছে । আগে কাম ফ্রম কঙ্গো মার্কা চেহারা একটা ছবি আপলোড করলে 50-100 লাই পাইতাম এখন একটা দুটো পায় না। শুধু বন্ধুদের এটা আমার একার লড়াই ।আমি একাই লড়ব যদি কেউ সঙ্গে না আসে তবু লড়বো। কদিন আগে আমার কলিগ কে বলেছিলাম যাদের কারণে আমার একটি স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে  যাচ্ছে । তাদের ডিজিটাল হসপিটালের সামনে কিংবা ওসমানীতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ কলিগদের সামনে মুখে আলকাতরা মেখে দিয়ে চলে যাব। কিন্তু না। আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল।

কে করেছেন জানিনা। এটা যেন বলিউডের সিনেমা *ন বডি কিল জেসিকা* থ্যাংকস বন্ধু সুমন। আসলে কলেজ লাইফের বন্ধু। কখনো এটা মানুষের জীবনের সবচাইতে কঠিন ইমোশনাল মুহূর্তের বন্ধুত্ব যা আজ 5 বছর পর ফেরত পেয়েছি যদিও কথা বেশি হয়নি কিন্তু সে আমাকে মনে রেখেছে গত পাঁচ বছরে তার সঙ্গে বোধায় কথা হয়নি আমার। সে আমাকে এখনো তার লাইফের ভিলেন মনে করে। আরে বন্ধু / তুই আমার সবচাইতে কাছের বন্ধু ছিল কলেজ লাইফের এবং এখনও আছিস ফর এভার। আমি তোর প্রেমের ভিলেন ছিলাম না। তুই আমাকে একটি মেয়ে জন্য আমাকে ছেড়ে ছিলি। সঙ্গ ছেড়ে ছিলি একসঙ্গে সিগারেট ।খাওয়া সঙ্গ ছেড়ে ছিলি একসঙ্গে কলেজ কলেজে বসে আড্ডা দেওয়া। একসঙ্গে বসে ক্লাসে যাওয়া। কলেজ ক্যান্টিনে বসে একসঙ্গে কাট খেলা। একটি মেয়ের শর্ত দিয়েছিল তোকে আমি যেন না জানি তোর সাথে তা রিলেশন আছে। আরে পাগল যে মেয়ে এই কথা বলছে তোর মাথায় কি একবারও আসেনি। সে আর একটি ছেলের সঙ্গে হয়তো সম্পর্ক ছিল। রাখার চেষ্টা করতো সে আমার হয়তো আর এক কোন বন্ধু। সে আমার সঙ্গে যুক্ত তার ভয় ছিল দুজনের মধ্যে মিডিয়া হয়ে আমি তার কুকীর্তি ফাঁস হয়ে যাবে। আজ দেখ সেই মেয়ে আর সুমনকে কোথায় রেখেছে। তুই কি বলতে পারবি বুকে হাত দিয়ে তুই যেখানে আছিস । সেটা তোর প্রাপ্য জায়গা। আমি তো তোকে এ অবস্থায় দেখতে পছন্দ করি না বন্ধু তুই অনেক আরো ভালো অবস্থানে থাকতে পারতিস। যাই হোক গতকালকে বলেছিলাম। আমি সম্রাট নিরোর কথা বলেছিলাম। কিভাবে সৈনিকদের দ্বারা রোম জ্বালিয়ে দিয়েছিল আর বেহালায় সুর তুলেছে তুলেছিল। আপনি সম্রাট নিরো হয়ে কিভাবে আমার আর রবিউল স্যারের। সিলেটকে কুলশিত করেছেন আপনার সৈনিক কাজী মোতাহার হোসেন সারকে দিয়ে। আপনি সত্যিই নিরো এর মত একজন।দায়িত্ব নিয়েই বলছি । এ কথা কন আপনি আমার লাইফের সঙ্গে যুক্ত আমি আমার বায়োগ্রাফি এ কথা বলতেই পারি। আসুন সবাই মিলে প্রমাণ করি, যারা ঐ সময় জানতেন, সন্ধ্যা সাড়ে আটটার দিকে ,সাইফুল ,আপনি আপনি ছমছম করে টেরিটরি হতে বের হয়ে যাচ্ছিলেন। আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করলাম, সাইফুল কই যান। আপনি বললেন কোন যেন ডিএসপি আসবে আপনার সঙ্গে দেখা করতে হবে। সেজন্য বাসটেন যাচ্ছেন। চাপা একটু ভালো করে মারেন যাতে জুতসই হয়। ডি এস পির গাড়ি থাকে ।আপনার নাকি ফুপাতো ভাই দেখা করলে ওই রাত্রিবেলা ওই জায়গায় আসতে হবে যেতে হতো না শহরের মধ্যে দেখা হতো। আর আপনার সঙ্গে কথা বলার 5 মিনিট আগে কি আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে ভাই কালকে 70 হাজার টাকা অর্ডার অর্ডার দিব। দিতে পারবা পারলে বল। আমি বলেছিলাম ভাই এটা কি আপনার অর্ডার সে বলল না ।তোমার অত জানার দরকার নাই। এটা আমার পার্টির অর্ডার। দাদা আমি পারবো না। সরি একটু বাইরে গিয়েছিলাম। নিস থেকে বাজার আনতে হল। গতকাল আমার বাবা বার বার ফোন দিয়েছে আমার ওয়াইফকে।যদি আমি ফোন রিসিভ করা বন্ধ করেছি এবং নাম্বারগুলো চেঞ্জ করেছি। কার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হোক আমি আমার লেখা শেষ করতে চাই ।তারপর নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করব নতুন যুদ্ধ এর মধ্যে জাস্টিস না পেলে। আমি ধানমন্ডি দুই নম্বরে লেখাটা হাতে দাঁড়িয়ে থাকবো দিনের পর দিন হয়তো একদিন আমি একা থাকবো সাত দিন পর ২জন হবে এক মাস পর পাঁচ জন হবে ছয় মাস পর আমি নিশ্চিত 1 লাখ লোক আমার পাশে থাকবে । আমি জাস্ট টিস নেব। এটা আমার অধিকার প্রফেশনাল অধিকার। আমি এখনো কম্পানি উচ্চতর ম্যানেজমেন্ট কে বিশ্বাস করি তারা জাস্টিস করবে। তারা নিশ্চয়। আমার অবস্থান বুঝতে পারবে এবং জাস্টিস করবে। বলছিলাম বাবা ফোন দিয়েছিল বলল তোর বোন তার বাচ্চা হওয়ার উপলক্ষে বাড়িতে অনুষ্ঠান করছে আর করবে 28 তারিখে তুই কি আসতে পারবি। আমি বলেছিলাম তখন বলেছিলাম আমার বোন অনুষ্ঠান করছে যদি আমাকে দাওয়াত দেয় আমি অবশ্যই আসব যদি সুযোগ পাই। এই মাত্র জানতে পারলাম আমার বাসায় আমার বাসায় আজকে অনুষ্ঠান হচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত আমার বাবা একবার বলেছে ,আমার বোনের বাচ্চা হয়েছে ।আর অন্য কেউ আমার বোন ভগ্নী ভর্তি কে বলে নাই। আমি দরজা বন্ধ করে লিখছি। বাইরে ,আমার বউ ,নিজেকে ইনসাল্ট ফিল লরে, চিল্লায় কথা বলে। এটাতে চিল্লানো কি আছে কিন্তু স্বাভাবিক আমার জন্য খুব স্বাভাবিক এটা আমার ব্যক্তিগত লাইভ পার্ট আমি সেদিকে পরে আসবো কারণ আমি আমার ব্যক্তিগত লাইফে প্রকাশ করলে ,অনেক বেশি ইমোশনাল হয়ে করবো হয়তোবা তখন হয়তবা অনেক কিছু বলা বা লেখা থেকে ছাড়া পরবে। যেখানে ছিলাম সাইফুল তার ডিএসপি ভাইইর সঙ্গে দেখা করতে গেল ,কিছুক্ষণ পর আমার মোতাহার স্যার দেখি ,যাচ্ছে। স্যার কে বললাম কই যান তিনি উত্তর দিলেন , অফিসে জরুরি মিটিং আছে। এ জেড এম স্যার ডাকছে, ফোনে কথা বলছে স্যার আপনি আসেন আমি আসতেছি। আধা ঘন্টা পর স্টেডিয়াম মার্কেটে এখনকার ওআইসির দিকে আপনি এবং মোতা স্যার অর্ডার কথা বলছেন। আমি ওদিকে গেলাম চুপ হয়ে গেলেন দুজনে, তারপরে অন্য প্রসঙ্গে আপনার সঙ্গে আমার কথা হল। আপনি বললেন আর কিছু বলবেন শাহরিয়ার। আমি বুঝতে পারলাম আপনি চলে যেতে বলছেন, চলে এলাম। পরের দিন প্রায় 70 হাজার টাকার অডার, গেল ওই দোকানে। আচ্ছা সেদিন ওই দোকানে কি এমন ঘটেছিল যে 7০ হাজার টাকা অর্ডার দিতে হবে। মানেজমেন্ট অফ রেডিয়ান্ট। জাস্টিন চাই। ওইসব আমার পক্ষ থেকে যারা সাফারার। যারা সম্রাট নিরো এর মত। এটা কি ফরাসি জারের শাসনামল। তাহলে কিছু বলার নেই কারণ ওই সময় শাসকেরাই সব। আপনারা নিশ্চয় আমার সঙ্গে একমত হবেন না । রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল ইজ এ জাস্টিস ফার্মাসিটিক্যাল এন্ড ইথিক্যাল ফার্মাসিটিক্যাল ইন বাংলাদেশ দে আর ডুয়িং ভেরি গুড জব ইন ফার্মাসিটিক্যাল মার্কেট লাস্ট নিউ year’s। শুধুমাত্র কিছু সম্রাট নিউ মত লোকের কারণে তার কুলুষিত তো হোক। আমি কখনো চাই না। ভাবছেন ,আমি জব ফিরে পাওয়ার জন্য সব বলছি। কখনোই না। আমি জাস্টটিজের জন্য বলছি, যাদের কারণে আমার লাইফের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ চারটি বছর হারিয়ে গেল, আমি তাদের বিরুদ্ধে বলছি শুধুমাত্র তাদের বিরুদ্ধে বলছি এবং লিখছি আমার বায়োগ্রাফি দা স্টোরি অফ এ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ।ওই ক্যামিস্ট হয়তো, একদিন রাগ করে কোন কারনে হঠাৎ দিয়েছে সে এক সপ্তা দিবেন বা দিল । না একমাস দেবে। যখন টানা দুই বছর এক ফার্মেসি থেকে প্রোডাক্ট যায় এবং মার্কেটের বাকি কিছু দোকানে ,তার ইম্প্যাক্ট পরে ,তখন এর দায়ভার কে নিবে। আজ আমাকে স্পষ্টতই সিলেট থেকে ট্রান্সফার করা হয়েছে এই একটি বিষয় কি সামনে এনে চিৎকার করে বলার জন্য টানা দুই বছর ধরে টু পার্সেন্ট আন্ডারে x ফার্মেসি হতে ওয়াই ফার্মেসিতে। এবং ব্রাক ইম্প্যাক্ট ফার্মেসিগুলোতে ইম্প্যাক্ট গেজেটে। মরাল অফ দা স্টোরি আমার ফার্মেসি থেকে টেন পার্সেন্ট গেছে ।তাতে আমি কতটা দায়ী ?তার বিনিময়ে আমি পেয়েছি। প্রমাণ অকাট্য প্রমাণ এখানে দু’নম্বরে হয়েছে। বাস এইটুকুই তো আমার অপরাধ আমি জানতাম আমার এই প্রোডাক্ট টুকু অমুক জায়গায় যাচ্ছে ,আমি আমার স্যারকে জানিয়েছি রেডিয়ান্ট এর রুলস অনুযায়ী আমি নিরপরাধ। এখন যদি কামাল স্যার মথার স্যার উচ্চতর ম্যানেজমেন্টকে জানিয়ে। তাহলে তো কোন জাস্টিস  এর প্রশ্ন আসে না । তবু জাস্টিস চাই আমার লেখা শেষ হলে উপ সংস প্রফেশনাল অংশ আমি এই লেখাটি আমার সম্মানিত চেয়ারম্যান স্যার কে নিজ হাতে দিয়ে আসতে চাই জাস্টিস চাচ্ছি না কর চাকরি যেতে হবে আমাকে এত টাকা দিতে হবে আমাকে চাকরি ফেরত দিতে হবে আমার জাস্টিস খুব ছোট খুবই ছোট আমি তার কোম্পানিতে আমার লাইফের মূল্যবান চারটি বছর লস করছি ।তার বিনিময়ে , আমি তার কাছে আমার পার্সোনাল বায়োগ্রাফি এ দা স্টোরি অফ দা এ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হস্তান্তর করতে চায় চাই ।আমি জানি ,তিনি ফর্মা ইন্ডাস্ট্রির বলতে গেলে ধারক-বাহক । তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে প্রত্যেকটি এমওকে নিজের সন্তান হিসেবে লালন পালন করে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হন। অসংখ্য ভালো উদ্যোগ নেন যাতে এমআই ওরা ভালো থাকে । তাই বলছি আমায় এই পার্সোনাল বায়োগ্রাফি শুধুমাত্র তাকে জানানো ।তার একজন এমআই ও যদি এরকম থাকে ।এরকম অসংখ্য শাহরিয়ার হয়তো মুখ বুঝে যায় তার কোম্পানি ছেড়ে চলে যাচ্ছে কিংবা অত্যাচার সহ্য করতেছে তাদের কেউ এটা অসম্ভব রকমের নস্টালজিয়া! চেয়ারম্যানস্যার সহ বাকি সব হাড় ম্যানেজমেন্ট 6 টি স্তম্ভ কাজ করে যাচ্ছে আরো কিছু সৎ মানুষ শুধুমাত্র ফিল্ড ফর্স লেভেলের কিছু ম্যানেজারের কারণে কেন শারিয়ার রা চলে যায় তাদের মূল্যবান জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করে। আপনি তো সময় এর দাম অনেক ভালো বোঝেন। আপনি কিভাবে মেধা দিয়ে শ্রম দিয়ে সততা আর পড়িস পরিশ্রম দিয়ে আপনার এম্পিয়ার রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস তৈরি করেছেন আপনি কি চাইবেন যে অ্যাম্পিয়ার আপনি তৈরি করেছেন তার সিমেন্ট রড বালিতে কোন দূষিত পদার্থ থাকুক জাস্ট এক মাস সিদ্ধান্ত আপনার আমার তো চাওয়া শুধু একটাই আমার মত আর কেউ যেন এরকম শিকার না হয়।

আর আপনার কাছে আমার একটা পাওনা আছে গিফট আপনার ঘোষণা অনুযায়ী। সত্যিকার অর্থে দুইটি। আপনি ঘোষণা দিয়েছেন কেউ যদি করার সন ধরিয়ে দেয় এবং চাকরি চলে যায় সে এম আই ও  এমপ্লয়ি পুরস্কৃত হবে । আপনার তরফ থেকে। সে ঘোষণা অনুযায়ী ,আমি আপনার কাছে অর্থ চাই না বা অন্য কোন পুরস্কার চাই না চাই শুধু আমার এই লেখাটুকু আপনার কাছে পৌঁছিবে। যদি আপনি প্রায়ই বারাসাত থেকে পনেরশো আমার মত শাহরিয়ারের রক্ষাকর্তা, ত্রাণকর্তা, তাই আপনার কাছে একটি বার্তা পৌঁছে যাই। আপনার ঘরে ,অনেক সম্রাট নিরো আছে ,আমার সঙ্গে হয়তো দু-এক জনের পরিচয় হয়েছে আরো অনেক আছে।।আছে অনেক আছে।। তারা কোন ক্লিওপেট্রার লোভে আচ্ছন্ন। একদিন অ্যান্থনি হবেই ।। তাই অনেক ভালোবাসার একটা জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়া । কষ্টের বলছি  -জাস্ট ফযার।।

যারা 2,2 টা বছর ধরে একটা ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলল। তার তোর জব নেট ছিল। অধিকার ছিল। দুই বছর ধরে এ ডা প্রডাক্ট। কি ঠিক ছিল। জাস্টিস আপনার আপনি জাস্টিস করুন ‘ যার সিউফা জোড়া ফার্মাসিটিক্যাল রিলেটেড। আর দুই বছর পর শেষ মাজার স্যার বলে সেলস ম্যানেজার স্যার বলে আমি তো আপনার ভালোর জন্যই আপনার *সি *ফার্মেসি চেঞ্জ করে দিয়েছি! আমরা তো আপনার ভালো চাই। তখন বুঝলাম কিভাবে ,আমার ঘাড়ে বন্দুক রেখে শিকার করা হয়েছে। কেন যখন এক্স ফার্মেসি অর্ডার দেওয়া আমার দোকানেও কিছু 5-10 হাজার পড়ার দেওয়া হয়। আমাকে সংকেত -দেওয়া যা পেয়েছ তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো এ নিয়ে কথা বলবে না। কথা বলেছি। সব কলিকাএর  সামনে বলেছি ফার্মেসিতে এক্স ফার্মেসীর সামনে কি ডায়াগনস্টিক সেন্টার লেগেছে যে আগের দিন 70 হাজার টাকা অর্ডার গেলে পরের দিন 20 হাজার টাকা আবার হয়। এটা একটা ছোট বাচ্চা হত বলতো, আগের দিনে প্রোডাক্টটা বাইরে গেছে তার রেগুলার অর্ডার পড়ল হচ্ছে পরের দিন। কিন্তু আমার শ্রদ্ধেয়রা জানে না। সবাই জানে। শাহরিয়ার । এর পিছনের লাগো। তাকে বলির পাঁঠা বানাও। এই চিৎকারের ফসল হলো আমার প্রায় 22 টি কি 23 টির মত লেটার। মানসিক টর্চার। পান থেকে চুন খসলে এজেডএম স্যারের রুমে @কফি উইথ করন @ চলে।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে ।আমি আমার কর্মস্থল। সিটি পলি ক্লিনিকে যাই।  সাকি ভাই, সতর্ক করল। অমিতদা ডিউটিতে আছে। আপনি তাড়াতাড়ি যান। আপনাকে বকবে। আমি বের হয়ে আসতেই দাদার সঙ্গে টাইমিং। আমাকে ডাকলেন।। বকবক বকাবকি করলেন।। ভিজিট কই , আমার ব্যাগ ছাড়া কেন এসেছি। এখানে ভিজিট টাইমস আর আসা যাবেনা , আপনার বসের নাম্বার দেন।ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনারাই বলুন যে ক্লিনিকে 16 জন ডিউটি ডাক্তার আছে। তার মধ্যে 14 15 জন আমাকে পছন্দ করে ।একজন করে না। কেন জানিনা আমার তো তাকে তার পছন্দ হয় না। তাকে আমার গিফট দিতে ইচ্ছা করেনা। আর সে আমার ডক্টর লিস্ট ও নাই। সাকিব ভাই ইশারাই আমি ত্যাগ করি ,সিটি ক্লিনিক। আমি প্রচণ্ড হতাশ এবং ইন্সুলটিং ফিল করি স্টেডিয়ামে এসে বসে আছি যাহা আমার কর্মস্থল। আধা ঘন্টা পর ফোন আসলো আমার স্যার কাছ থেকে- আপনি আর কোন দিন হসপিটালে যাবেন না ।এটা ডি এস এম স্যার নির্দেশ হসপিটালে যাবেন। আমি নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি তখন ও এসএম স্যার কিছু জানে না ।তিনি বাইরে মার্কেটে আসছে। তার দুই মিনিট পর আবার ফোন আসলো আপনি তাড়াতাড়ি সিটি হসপিটাল ওরা চলে আসে আমি গেলাম। আমাকে বলা হল হাত ধরে ক্ষমা চাইতে ।অমিত দার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছি। আমি অমিত দা কে বললাম ভাই অভিযোগটা কি আপনি অযথাই এখানে বসে থাকেন। বিটকন করেন না আমাকে আবার আমার কথার উত্তর দেন আপনি একটা বেয়াদব। আমার স্যার বলল,  হাত ধরে ক্ষমা চান। আমি ক্ষমা চাইলাম -হাত ধরে। পাশে পাশে বসা আমার জুনিয়র কলিগ এর সামনে। আমি নিচে এসে হতভম্ব। হয়ে বসে পড়লাম। নিচ তলায়। কিছুক্ষণ পর আমার স্যার এবং প্রিয় কলিক। মুচকি মুচকি হেসে বের হয়ে গেল। আমার স্যার আমাকে বলে যান বাসায় যান। আমি সেখানে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা বসে ছিলাম চিন্তা করতে লাগলাম এ সিটি পলি ক্লিনিক যেখানে গড় বিজনেস ছিল 10 থেকে তারও কম সেখানে আমি সর্বোচ্চ এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা বিজনেস করেছি। উইদাউট মেরেসিল। জাস্ট এবং রিলেশনশিপ অ্যান্ড hard-working কতটা সেটা ডক্টর সাকির সঙ্গে আমার এ রিলেশনশিপ ছিল সেটা প্রমাণ। ব্লগে লিখছি বলে লিখছি নাতো। স্কিপ করে যেতাম। রাজশাহী থেকে আম এনে খাওয়ানো থেকে ডাক্তার এর । ডাক্তারের জন্মদিনে নি যাতে পুডিং বানিয়ে খাও থেকে শুরু করে, প্রত্যেকটি ছোট ছোট দিক খেয়াল রেখে। একজন সেনসিটিভ মানুষকে রেডিয়েন্ট ডাক্তার বানিয়ে 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা বি বিজনেস। শামীম স্যার বলতো, হাসনাহেনা ফুল হও সুগন্ধ এমনিতে ঝরাবে। আমি আমি সেই তত্ত্বে বিশ্বাসী আমি কি করেছি সেখানে কি অর্জন করেছি তা গ্রেডিয়েন্ট এর ওই ক্লিনিকের বিজনেস হিস্টোরিতে লেখা থাকবে আজীবন। শারিয়ার নামক একজন এন আই ও কি করে গিয়েছিল ।তার কতটা ছিল। আমি সেই যে বাংলাদেশের 5 জন রিনাউন্ড সার্জারির ডক্টরের চেম্বার এ স্ট্যাম্প পেপার নিয়ে ঢুকি এবং চ্যালেঞ্জ করি আমার কোমপানি ব্র্যান্ড রফসিন তে কখনো সেকেন্ডারি ইনফেকশন হবে না। বলেছিলেন লিখে দিতে পারবা। পরের দিনই স্ট্যান্ড নিয়ে বলেছিলাম আপনি কি লিখবেন লেখেন কিন্তু আমার রফেসিন এ কখনই সেকেন্ডারি ইনফেকশন হবে না। যদি হয়ে থাকে তাহলে এর দায়িত্ব সম্পন্ন আমাদের আমরা পেশেন্টের সমস্ত খরচ বহন করব।সেদিনের সেই দিন এরপর ওই চেম্বার এ আমাকে পিছন ফিরে তাকানোর তাকাতে হয়নি। তিনি আমাকে বলেছিলেন তুমি কোন শ্রেণীকে কাজ কর। জানতাম তিনি ইবনে সিনা এবং মহানগর এর অপারেশন করে বলেছিলাম ইবনে সিনাতে। ইতিহাস সাক্ষী 2015 সালে ইবনে সিনা হসপিটালে রেডিয়েন্ট যত গ্রাম রফেসিন বিক্রি হয়েছে তারপরে অনেক েমেয় চেঞ্জ হয়েছে এখন একজন থেকে দুইজন কাজ করে। কিন্তু মাসুম ভাই বিল্লা ভাইকেhelp করেছিলাম। তা হয়তো তিনি নিজেও জানেনা। তিনি আর একজন কুখ্যাত কলিক হয়ে। পড়ে আছে। জানিনা তাকেই । প্রমোশন হবে কিনা। কিভাবে একটা ভালো কলিগ কে ডি মোটিভেট করে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয় মাসুম বিল্লাহ তার উদাহরণ। ভাই আপনার মত ছিপ নৌকার মত বাঁচতে চাই না। তাই চলে যাচ্ছি। চলে গেলাম।।।।। ফিরে আসি সিটি ক্লিনিক এ আমার এজেডএম স্যার দেশের বাইরে ছিলেন। বিশ্বাস ছিল তিনি আসলে জাস্টিস পাবো ,অন্তত শুনবেন আমাকে। তিনি এসে কি করলেন, একটি বারের জন্য আমাকে ডেকে শুনলেন না। কিন্তু অন্য সব কারণে কফ উইথ করণ চলো ঠিক হয়। যখন আমার জাস্টিজ এর প্রশ্ন আমাকে ডাকা হয় না। আমাকে দেওয়া হলো কাজ নতুন পার্ট নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজে। যার সামনে একটি ফার্মেসী ছিল বলা হলো ওই ফার্মেসি সেল 50 হাজার টাকা। আর আপনি এ মাসে আর আপনার এ বছরের গড় সেল 65 হাজার টাকা।আপনি আমার কথা শুনলেন না রে যে আমার স্যারের অ্যাসেসমেন্ট করার জন্য বছরের শেষ দিন 1 লক্ষ 20 হাজার টাকার প্রডাক আমি সেই দোকানে দিয়েছি এবছরের জানুয়ারি মাসে আমাকে লিকুইড করতে হয়েছে তার উপরেই বিজনেস হয়েছে তাহলে।।।। ঠিক আছে । আপনার যুক্তি ঠিক আছে মানলাম।।। কিন্তু আমি বছরের বাকি 9 মাস 20 হাজার টাকার বেশি কখনো বিজনেস করতে পারি নাই। ওই দোকানে 20 হাজার টাকা বেশি বিজনেস হত স্যার সেগুলো আগে আসতো আমার ফার্মেসিতে বিয়ার ড্রাগ হাউসে। আপনাকে বলেছিলাম সে কথা। আপনি আমাকে পাল্টা যুক্তি দেখিয়েছিলেন অনেক।। যুক্তি আর বাস্তবতা ভিন্ন জিনিস সেলস স্টরি টানলে সব যুক্তি অতল গহীনে হারিয়ে যাবে। সেখানে থ্রি পার্সেন্ট আন্ডা রেট হত । সেটা কি করতো স্যার। জাস্টিস চাই ।জাস্টিস। সেদিন জাস্টিস করেনি বলে। আজও করবেন না তা। ভালো মানুষ তবে জাস্ট কেন করবেন না। আমি যদি মাহবুব স্যার, হই সম্মানের সহিত বলছি, তার পাল্টা যুক্তি আজকে হবে, আমি তো শেষ দেখে চেঞ্জ করে দিয়েছি এ তো আমার একা ডিসিশন না সবার ডিসিশন ছিল আপনি সেখানে গিয়ে পড়েন নাই আপনার পূর্ববর্তী কলিক করেছে যেমন আপনার টিভি তে আপনি যা করে গেছেন এখন এখকার কলিক করতে পারছি না। স্যার মেনে নিলাম আপনার যুক্তি ।আপনি সত্য , আপনার অভিজ্ঞতা বেশি,। তবে কেন যেন আজকাল একটি রিয়াকশন এ কথা মনে পড়ছে আপনি যখন মানলি মিটিং শেষে আমাদের টিমকে নিয়ে বসতে বলেছেন। জলিল স্যার সহ আমরা পুরো টিম সেখানে উপস্থিত। আপনি কথা বলবেন আমাদের সঙ্গে।  নির্ভানা ইন সেকেন্ড পরে মিটিং শেষে। স্যার আমরা এক টেবিলে, বসে অপর টেবিলের একটি চেয়ে আপনি বসে ।আপনি প্রথমে কথা বললেন ,গোলাম সরোয়ার এর সঙ্গে কি কথা বললেন জানিনা-তারপরে মাসুদকে ডাকলেন ভাই বললাম না। আদিখ্যেতা ভালো লাগছে না জব তো ছেড়ে দিয়েছি বয়স আমার নয় ছোটই হবে। যাইহোক মাসুদ ভাই কে ডাকলেন গোলাম আমাদের সামনে আসলো রিঅ্যাকশন দিল, আপনাকে আপনার rm সার চোখ রাঙিয়ে। শুধুই বুদ্ধির সঙ্গে পারবেন আপনি দেখেন কি হলো আমি বলেছিলাম 15 একটা টাকা তাকে দিয়ে দিয়ে আজকে আমার কাছ থেকে নোটিশ নিল ।আপনার চোখ রং আপনার ইশারায় সে থেমে গেল।। সেখানে আরও তিনজন কলিগ 4 জন কলেজ ছিল। যদি একজনও একটু স্মৃতির উপর জোর দিয়ে মনে করতে পারেন তাহলে আমার লেখাটা সার্থক হবে মনে সন্তুষ্ট পাবো আমি সত্য বলেছিলাম কেউ কেউ একজন বিশ্বাস করে পৃথিবীতে সিটি বলে নিয়ে আমার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে এবং হয়েছে আপনাকে ইউজ করা হয়েছে এ জেড এম স্যার। ডক্টর শাকিব ভাই যার ইশারায় প্রত্যেকটি প্রেসক্রিপশন হয় তিনি আপনাকে কত বার ফোন দিয়ে বলেছে আমি যেন সিটি বলিতে ফেরত যাই প্রতিবার শাকিবের ফোন দিত আর আমাকে ফোন দে বলতো এ ভাই আপনার জেমস আর কে ফোন দিয়েছিলাম আপনি আসেন আবার লেখা শুরু করব আপনাকে চিন্তা করতে হবেনা আপনার সাপোর্ট দরকার দরকার হবে না। আমার নিজের কাছে অনেক খারাপ লাগে। আপনি বুঝলেন না ডক্টর শাকি, তাকে তৈরি করেছি আমি ইন্ট্রোডিউস করে দিয়ে গিয়েছিল আমার মাসুম ভাই। শাকি ভাই সঙ্গে তার রিলেশনন ছিল । গুড জব মাসুম ভাই এন্ড থ্যাংকস এ লোট তু সিমি দা পাত ওয়ে। ডেট ডেড হয়ে আয় বিল্লাহ ডিফারেন্ট প্ল্যান, long-term রেলেশনশিপস ,উইথ long-term রিলেশনশিপ। উইথ ফ্রেন্ড এভরি বডি। কিন্তু তার মধ্যে একজনের সঙ্গে হয় নাই। সে আমার মার্কেট ম্যাপিং এর ডাক্তার নয়। সেখান থেকে আমার এক লক্ষ টাকার কি বাজেট কেটে নেওয়া হলো। সঙ্গে দেওয়া হলো 15000 টাকা বাজেটের একটি দোকান যেটাকে লাস্ট 3 মাসে বানানো হয়েছে 50 হাজার টাকা কর। সেপ ওটার গুলো আমাকে লিকুইড করতে হয়েছে , বিয়ার এ। আমি সেই এম আই ও।যে কামাল বাজারের মতো একটি মার্কেটকে ইন্ট্রোডিউস করে দিয়েছিল নতুন এক ভাবনাই প্লানে আমি যখন 40 হাজার টাকা মার্কেট গর 65 হাজার টাকায় কোন কোন মাসে হাইসেন 80 হাজার টাকা নিয়ে যায়, কামাল মোতাহার  গং এন্ড সন্স ব্রান্ড এরা মোটা সিলেট রব রব তোলে শাহরিয়ার কামাল বাজারের উপড়াতে সে মিলে সিলেট হোলসেল মার্কেট। ভরে গেছে। আজ রেডিয়েন্ট এর সবচাইতে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হাসান স্যার সেখানে আছে। হাসান স্যার সেখানে কোন বিজনেস কত জানতে পারি এক লক্ষ টাকা দেবতার ক্রাক কার কাছাকাছি না তারও বেশি হয়েছে মনে হয় বেশি, বেশি। তাহলে আজকে কি প্রমাণিত হয়। একজন স সম্রাট নিরো অপরাধ থাকতে গিয়ে। কিছু ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী কেবলই পাঠাবো বাড়ানো হয়েছিল। মনে রাখবেন এই জাতিগোষ্ঠীর দাঁড়ায় কিন্তু আপনি পরাজিত হয়ে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল কঠিন মৃত্যু ইতিহাস সাক্ষী আজ হয়তো আমি বললাম না থ্রি হান্ড্রেড সিনেমার মতো বলছি যে ওই কাহিনী নিয়ে বানানো পারলে একবার দেখবেন আপনার প্রিয় সিনেমার একটি সেখানে একটি বার্তা পৌঁছানো হয় ।বাকি আপনারা সবাই মনে করেছেন ,সম্রাট নিরো হয়ে চুপচাপ থাকবেন ।তা হবে না তার দিন শেষ ,এখন শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ।।। ভাই সেলারি আসবে একটু জানান, বড্ড অভাবে আছি হবে আছি। প্রায় 20 হাজার টাকার বিল সাবমিট করেছিলাম , 2400  এর আগে পেয়েছি। গতকালকে একটি ফোন কল সাবমিট করার পর থেকে স্যার আমাকে ভুল বোঝে আর ফোন ধরছেনা কিংবা কোন সম্রাট নিরোর নির্দেশে ফোন ধরছেনা।গত একটা গত কালকের টা বিল দেওয়ার কথা ছিল আমি ঠিক হই ।আমি ঠিক রহমানের হাতে পৌঁছালি আছি। আশা করি আজকে তার হুঁশ হবে এবং বিলটা দিবে। সম্রাট নিরো হুশ ফিরে আসলে ভালো হয়। তার হুঁশ ফিরে আসাটা জরুরি ।।রেডিয়েন্ট এর জন্য জরুরী। কারণ আমার স্যার রবিউল স্যার বলতো @লোকটার ভাগ্য খারাপ…এক বনে দুই বাঘ থাকতে পারে না বলে।।। আমারই মত  লোকদের ভুলে। সে কোথায় তার তো এই অবস্থান নয় তার অবস্থান হওয়া উচিত তবে টপ এ। @@শাহরিয়ার যে থেকে যাবেন পায়ের ছাপ যেন সেখানে থাকে আপনি আপনার অবস্থান থেকে কখনো শোয়েবের না। যদি ইন নর্থইস্ট পেয়েছিলাম সিটি পলি বদক বদলে ক্যান্সার ইউনিট তপন খাইবেন শোনাবো। তখন আমার দুর্ভাগ্য কারিবিয়ান ভলুভেন ছেড়ো না হাতে। থাকলে হয়তো ভালো আরো ভালো হতো হয়তোবা ব্লকবাস্টার। আমি পেয়েছিলাম আমার নতুন কিছু জয় করার লক্ষ্য নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা নতুন করে করার আই এম দ্যা বেস্ট। কিন্তু আব্দুল জলিল স্যার স্যার আপনার কাছে আমার ,গোলাম সরোয়ার 3 মাস কাজ করে কতগুলো জয়েন কল আছে ।আমার সঙ্গে কাজ করে একটিও নাই কেন। ও হ্যাঁ একটা আছে বাকি নয় মাসে। আপনি তো আমার একটি ইফতারি প্রোগ্রাম ভণ্ডুল করার শেষ প্রচেষ্টা পর্যন্ত করেছিলেন মাহবুব স্যার সাক্ষীর সেদিন যদি আমি উচ্চস্বরে প্রতিবাদ না করতাম তার কাছে তিনি আমাকে অনেক বুকে ছিলেন প্রতিবাদ করার জন্য বলেছিলেন কোন এ মাউস এর এ ধরনের সাউন্ড রেডিয়েন্ট বাস করে না তবু করেছিলাম জেনেবুঝে করেছিলাম কারণ প্রোগ্রামটা হওয়ার জন্য হয়েছিল কিছু প্রেসক্রিপশন বেড়েছে আর কিছু আর কিছু আর বলবো না এ বিষয়ে থ্যাংকস সেলস ম্যানেজার  স্যার। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য।

একজন লোকের কথা ছাড়া পড়ে যাচ্ছে ।আমার প্রিয় মানুষ, বিশ্বজিৎ কবিরাজ। সত্যি তিনি কবিরাজ নামে কবিরাজ ।কবিরাজ। কোন প্রান্ত হতে শুরু করব আপনাকে দিয়ে হাত নিয়ে  আজব ক্যারেক্টার তো। আপনার মতো  ধুরন্ধর  জীবনে দেখিনি বলতে গেলে দেখেছি কক্সবাজারে দেখেছি আমার ছাড়ছিল যার দুর্নীতি লিখিত আকারে জিতেন স্যার কে দিয়ে ঢাকা আরিফ মাহমুদ স্যার কে টেবিলে ভাইবা দিয়ে ইন্টারভিউ তিনি আর নেই। রেডিয়েন্ট তাকে ডিজাইন করার সুযোগ করে দিয়েছে ।তাই মিনিট করে নাই।। আপনি সে আজব পিকচারের লোক। যখন ফরাত মিস্টার ফোড়া দর্শনকে দেখতাম সরি ফরহাদ হোসেন কে দেখতাম তখন আপনার কথা মনে পড়তো ।দুজনেই আজব একটারে কিন্তু অভ্যাস ভিন্ন একটা জায়গায় তা নেশা ছিল মাল বেচা আর আপনার মিথ্যা অসত্য বানোয়াট ফিডব্যাক দিয়ে নিজের কার্য হাসিল করা। আচ্ছা আপনি কত বছর প্রোমোশন পেয়েছেন। আপনাদের একজন কলিক পেয়েছে। আমাকে একটা যুক্তি দেখান তো আপনি যোগ্য অন্তত ডাক ফর জন্য। তবে হ্যাঁ এর পেছনে আমিও কিছুটা দায়ী আছি। আমি তখন খোলস থেকে বের হয়ে আসছি মাত্র সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর্চিভ নোক ফর্মত বাঁচবো না লড়াই পর্ব বিজ্ঞান, বলে না লাক্স সাবান তৈরি করতে গিয়ে ইউনিলিভার হইল  ফ্রী পাচ্ছে। আপনি কি আমার ভুল চালের ফসল।আমি যেমনটা চেয়েছিলাম না জরির ছাড়া আর এম হোক কারণ তার আরও ডেভলপমেন্টে দরকার ছিল। ঠিক একটি বাই পোডাক বের হয়ে আসলো।আপনি আগের দিন ডাক পেলেন । প্রমোশন পেলেন আমার কি যে কষ্ট লাগলো ,বোঝাতে পারবো না ।আপনার মুখোশ খোলার আগেই আপনি পার পেয়ে গেলেন, আপনি আপনি যে জায়গায় কাজ করেন সেই জায়গাটি তৈরি যেসব ডাক্তারের ফিডব্যাক দিয়ে আপনি আপনার লক্ষ্য হাসিল করিয়াছেন আপনাকে সত্রা ভরে জানাচ্ছি সিজার গুলো আমার শ্রদ্ধেয় স্যার রবিউল সাড়ে নিজ হাতে গড়া তৈরি তিনি তৈরি করে গেছেন আমার সামনে আমি দেখেছি আর আপনারা সবাই ভাই প্রথমে কি করতে পেরেছিলেন পারেন নাই। শুধু তোতা ডক্টর গুলোর নামে মিথ্যা ফিডব্যাক দিয়ে। আপনি পার পেয়ে গেলেন গলার জোরে। মানুষের দুটো দিক থাকতে হয় মিথ্যা কথা কম বলবে অথবা মেয়ে মানুষের দিক থেকে সৎ হবে। দুটো জিনিস যদি কোন মানুষের মধ্যে থাকে তাহলে আর কি থাকলো আপনার লাইফে। আপনার এত সুন্দর একটা সংসার থাকার পরও আপনি আরেকটি ছোট ফোন ইউজ করেন কানে লাগায়ে দিনরাত কথা বলেন কার সাথে বলেন আর সাথে আপনার সঙ্গে এক মাস কাজ করছি মনে তো হয় নি। আমার দিপো ইন চার্জ ভাষায়-পরকীয়া চোদান।

বিশ্বাস না হলে খুলে দাও খুলে দেখতে পারেন 2016 সালের জানুয়ারি মাসের স্টেডিয়াম ফোর ফাইভ সিক্স এর লাস্ট ফোর ডেস সেলস। এখন তাদের চোখ অন্ধ হয়ে গেছে যখন মুন্সি ফার্মেসির সেলস যদি নেমে আসে 0। হায়রে কপাল সিলেট খুলছিল সবচাইতে বড় দোকান গুলোর একটি যেখানে এক সময় দেড় লক্ষ টাকা থেকে 2 লক্ষ টাকা বিদেশে তো 4 বছর আগে সেখানে এখন জিরো। যদি ধরে নেই তারা এখনো নেট 2 লক্ষ টাকা সেটা কে ফির ফিল করছে। নিশ্চয়ই স্টেট এর বাইরে কেউ নয়। তাহলে সবাই চুপ কেন না সবাই ।  বুঝে চোখ যদি যোগ বুঝে থাকেন আপনাদের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় কিন্তু সেটা যদি শাহরিয়ার এর ফার্মেসি হত তাহলে কি করত কল্পনা করা যায়। আমাকে থালা বাটি নিয়ে ,সবার আগে কোন রাস্তায় বসে থাকতে হত প্রতি ঘন্টায় অন্তত তিনবার *কফি উইথ করন * ঘটত।

শ্রদ্ধেয় রিপন ভাই। আমার বিরুদ্ধে আপনার অভিযোগের শেষ নেই। কখনো মনে করেছেন কি আমি যদি আপনার সী ফার্মেসিতে 3 মাস অর্ডার না করতাম তাহলে কি ঘটত আপনার কি আছিইভমেন্ট হত ইয়ারলি আপনি কি প্রমোশনের জন্য ডাক পেতেন।ভাই আপনি অনেক জ্ঞানী মানুষ আপনাকে শ্রদ্ধা করি আপনি অনেক বড় বড় কোম্পানিতে জব করে এসেছেন হয়তো ব্যক্তিগত লাইফ এর কারনে আজ এ অবস্থায় তাই বলছি একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে ভেবে দেখব। আপনি যদি একটু অনুভব করতে পারেন নিজেকে ফিল করেন আমার অবদান তাহলে আমার সার্থকতা আমার অন্য কিছু লাগবে না। এখন আসি প্রফেশনালি। যদি না যেতাম আমি সি ফার্মেসি তে তাহলে কি ঘটত ।ঘটতো না ,মোর কন্সুলটেশন অফ রিপন ভাই অন এক্সট কোয়াটার মার্কেট/ তার সেলস বুস্টার কত না আজকে সেখানে সজীব নামের পলিক কাজ করতো না ।আমার ওই চার মাসের অবদান ,আপনি যদি ওই অ্যনালাইস স্কোর ই দেখেন, তাহলে আমার ওই চার মাসের অবদান অনেকখানি ও গুরুত্ব অনেক । আই ক্রিয়েট এ টেটরিরী হানডাইরেক্টলি।।।।

আই এম দ্যা ম্যান হু কি অনলি গিফ সাপোর্ট পার্সন ইন সিলেট ফার্মাসিটিক্যাল মার্কেট?? ডাক্তার এস হাসান। যেটা কোন কোম্পানি কল্পনাও করে না। তিনি তুরস্ক থেকে ঘুরে ঘুরে এসেছেন ডিজে এম স্যারদের সঙ্গে ইজ দা জেন্টল ম্যান পিওর। মাই কোমপানি ব্র্যান্ড এক্সিয়াম (ইসোমিপ্রাজল) ডিস ইজ অনার্স I সবচাইতে ভালো কিছুই er তে মধ্যে আছে। যারা নিয়মিত ইনটেক করেন তারা তারা জানেন সত্যি এ excellent EXIUM একটি ড্রাগ। আমার কোম্পানির ও রাইজিং স্টার্স ত 2015 সালে সিলেট ডিভিশন টা অনেক বড় ছিল সেখানে এক নম্বরের  ডাক্তার ডক্টর মুখলেসুর রহমান যার 4p তে 75 টি এস এর মধ্যে ইসোমিপ্রাজল এর মধ্যে 73 টি EXIUM. লাস্ট ইয়ার চক্রবর্তী ইজ দা তা মস্ট EXIUM prescribes in Bangladesh. 4p ফোর পি টা খুলে দেখুন, সেখানে আমার ডক্টর কীটের সংখ্যা কতগুলো  মিনিমাম পঞ্চাশ পঞ্চাশ ডক্টর আমি তৈরি করেছি এটা আমার অবদান I অফ রেডিয়েন্ট রেড ইতিহাসে খুব ছোট আকারে লেখা থাকবে । আমি আমার লাইফের গুরুত্বপূর্ণ চারটি বছর পরিশ্রম করে লস করে গেলাম কিন্তু আমার অর্জন বৃথা হতে দেবো না। রেডিয়েন্ট এর সকল কলিগ দের চাকরি ঘন্টা শ্রম আইন অনুযায়ী করা হোক 8 ঘণ্টা যদি কোন জায়গায় বেশি কাজ করতে হয় ওভার টাইম দিতে হবে। আমরা শ্রমিক নই আমরা সবাই উচ্চশিক্ষিত তাই 8 ঘণ্টা জব বাংলাদেশের শ্রম আইনে বিদ্যমান সেটাও দিতে হবে।

ডক্টর শ্যামল চন্দ্র স্যার বলতেন তোর Rofuclave না লিখলে আমার 3,4 টাকা লস হয়ে যায়। কেন স্যার? যে ROTUCLAVE লিখলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন হওয়ার চান্স থাকে না। আমি নিশ্চিন্ত থাকি। আর অন্য brand লিখলে , আমার লস হয়। তোর Rofuclave  সত্যিই জাদু আছে। আমি হাসতাম/ বলতাম ,স্যার আমার কোন প্রোডাক্টে জাদু নয়। স্যার চক্রবর্তী কে বলেছিলাম Rofuclave হ্যালো স্যার শ্রীকৃষ্ণ দ্বারা রচিত মহাভারত এর মত। শ্রীকৃষ্ণ যেমন অর্জুনকে যাতে জিতে সেজন্য সমস্ত কিছুর আয়োজন করেছিলেন। নিজে অর্জুনের রথের জেগে বসে ছিলেন। তার রক্ষা করতে হবে তার যুদ্ধে মার্গ দর্শন করিয়েছিলেন। আমরাও ঠিক তেমনি শ্রীকৃষ্ণের মতো অর্জুন কে রক্ষা করতে করণ শিল্ড ইউজ করছি। স্যার হেসে বলেছিল আমি তো তোমাদের এন্টিভাইটিক দেখিনা ।তোমার তো সব পড়ে কি লিখি। তবু লিখতো  মাঝে মাঝে। সব ডক্টর ওটা তো এমনি এমনি একদিনে তৈরি হয়নি। তৈরি করতে হয়েছে প্রপার প্লানিং এর মাধ্যমে এবং  দূর করতে হয়েছে। অনেক বাধা বিপত্তি। যখন কোন ডাক্তারের জন্য কনফারেন্সে এসে সোনাদিয়া দ্বীপ দিয়ে বাংলাদেশের সব চাইতে খাটি শুটকি নিয়ে তাকে হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠায় এবং তার বাসায় গিয়ে শুটকি বস্তা দিয়েছি। সেই ডাক্তার আর কি করবে, লিখবেন, কন্টিনিয়াসলি আমার প্রডাক্ট। শেষমেষ আর একটা কথা মনে পড়ে ,একদিন প্রশংসা করেছিল, অনেক অভিযোগের ভিড়ে, * শাহরিয়ার আপনি যা কোম্পানীর জন্য করছেন তাকেউ আমরা ভুলবো না। * সত্যি হলে ভুলে যাননি আপনারা। ভুলে গেলে হয়ত ভালো হত আমার জন্য আমি কিছুদিন আরো জবটা করতে পারতাম।

আগেইআগেই বলেছি আমি জবো করছি। আমার ফরাদ স্যার এর আন্ডারে। দুজন করাপ্টেড ম্যানেজার সরি তিনজন করাপ্টেড ম্যানেজার আরেকজন ভালো মানুষ এজেডএম স্যার। যে এজেএম স্যারের হাতে তৈরি এবং আমি গর্ববোধ করি আমার এচ ডি আমার এই কর্মস্থলে ডিজে এম আলাউদ্দিন স্যার ডি এস এম নাঈমুর রহমান স্যার। সে যাই হোক জায়গা কে ইউজ করি কুলশিত করবে তা হতে দেওয়া যায় না দাঁড়িয়ে ছিলাম শক্ত হতে। আমার লাইফের সফলতা স্যার একজন ধর্ষণকারীকে কুত্তার লেজ এর মতো গুটিয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে শুধু আমার স্ট্যান্ডিং এর কারণে দিস ইজ মাই আছিভমেন্ট অফ রেডিয়েন্ট হাউস 14 বছরের আর এম sanofi-aventis এর । ভালো কোম্পানির মাল বেচা ম্যানেজার। তা আবার স্টাইল কি চোখে চশমা কালো, কালো চশমা খুলে রাখে ডক্টরের টেবিলে পায়ে পা তুলে বসে ব্লু টুথ হেডফোন আছে একটা সেটা খুলে ডক্টর টেবিলে রেখে স্যার আমাদের আমাদের কোরালক্যাল-ডি। নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ড ক্যালসিয়াম মার্কেট তখন আমি হাতজোড় করে বলি স্যার / স্যার বলতে চেয়েছে আসলে, নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ড সবচেয়ে ভালো , মলিকুল ,ইউ এস এস সোস, স্যার এটা সম্ভব হয়েছে এক নম্বর  এফিকেসি এন্ড সেফটির কারণে আপনারা  prescribe করেছেন। ফলে যা সম্ভব হয়েছে।

তার প্ল্যান চমৎকার সে আমাকে দিয়ে দুনম্বরী করাবে । এ যেন মামার বাড়ির আবদার। আমার সঙ্গে এক মাস থেকেও চিনতে পারবে ব্যর্থতা কার তার না আমার।কিন্তু তার এবং সরি এজেডএম স্যারের  কলিগ কে সেভ রেখে। তাহলে সেদিন শ্যামলী প্লাসের প্রডাক্ট আমি নিয়ে গিয়েছিলাম আমি জানি কি কি কারনে সেটা সামনে আসেনি যখন ফরভাত হোসেন রিজাইন লেখার সুযোগ পেয়ে চলে যায়। শেষ সুযোগ, পায় ক্লিয়ারেন্স পাচ্ছে, আপনি বারবার তার করার ফোনের টাকার কথা জিজ্ঞেস করছেন যেটি আমার কা কাছে রক্ষিত প্রডাক অবস্থায়। বিরাট বড় যে আমি আমি অপেক্ষা করলাম আপনি একবার ও আমি তার কাছ থেকে কিছু পাই কিনা ,কোন বিল বাকি আছে কিনা জিজ্ঞেস করলেন না । কেন আপনার কি তার সঙ্গে কোনো দুর্বলতা ছিল যে কারণে জিজ্ঞেস করেন নি? আমি ওয়েট করছি আপনাকে দেখেছি পরিবর্তন টা কি উপলব্ধি করেছি ,দেখলাম পরিবর্তন নয় ,এটা উল্টো হচ্ছে ,আসতে হবে আমার জা বিল সেগুলো রিপিট সাবমিট করলাম আপনার কাছে। আপনি শেষ দিনে সেগুলো অস্বীকার করেছেন আপনাকে দিতে। আমার স্যালারি থেকে এক্সপেন্স করা বিল। হানডেট পারসেন পিওর গায়ে খেটে কামলা দিয়া দেওয়া টাকা। রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল কখনোই এই ইথিকস কাউকে দেয়নি জে এম আই ও টাকা খরচ করবে মার্কেটে আর সে বিল পাবে না ।এটা কখন হতে পারে না। তাই আপনার কাছে আমার প্রথম জাস্টিস আপনি আমার আপনার কাছে সাবমিট করা সমস্ত বিল ওয়েট করুন ।। খুব দ্রুত আমি চলে যেতে চাই কক্সবাজার থেকে। আমার লেখা প্রায় শেষ পর্যায়ে।

আমাকে যেতে হবে অনেক দূর। লম্বা জার্নি,,,,,,,,।  শুধু একটি ব্লগে কিছু লিখে বসে থাকার মানুষ আমার আমি নই। আমি জাস্টিস চাই ।কার কাছে চাই? আমার সম্মানিত চেয়ারম্যান হতে চাই ? আমার ডিরেক্টর স্যার চাই । আমার এইচ আর এর কাছে চাই। আমার ডিজে এম স্যারের কাছে চাই ।আমার প্রিয় স্যারের কাছে চাই আমার নাঈম স্যার এর কাছে চাই। কি চাই যে মানুষ রেডি অন্টি ইন্ডিয়ান টেস্ট রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল এর আর এম সে ইন ফ্রন্ট অফ এ জেড এম স্যার এন্ড আদার্স স্যার এন্ড সিক্স কলিগ স্বীকার করে আমি প্রিয় ফার্মেসিতে গিফট নিয়ে যায় তবে সেটা ডি এস এম স্যার আমাকে নির্দেশ প্রদান করেছেন। আমার কথাটা হল এটা তারপর কোন ইথিকস এ সে রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল এর জব কন্টিনিউ করে বা কন্টিনিউ হয়। জাস্টিস চাই। যে লোক সবার সম্মুখে উচ্চারণ করে আমাদের হিরো যাদের অনুপ্রেরণায় আমরা কাজ করি, সেরকমই স্যারের ধরে নাম ধরে বলে *আমি ডি এস এম স্যার এ জেড এম সরি নির্দেশ ছাড়া আরএমও অবস্থায় কোন গিফট দেই নাই। এবং এম আইও অবস্থায় ওই স্যার আমাকে গিফট দিয়ে বলতো অর্ডার কাটার জন্য@সে একজন পাগল হতে পারে মানসিক অসুস্থ কিংবা সুস্থ স্বাভাবিক। অতি স্বাভাবিক , ক্রিমিনাল। ভাড়াটে খুনীরা যেমন ঠান্ডা মাথায় খুন করে কিছু মনে করে না তার একটা খুন করছে ঠিক তেমনি এই লোকটা ক্যারেক্টার যা আমার লাইফের সঙ্গে জড়িত । যাকে শাস্তি না দিলে আমার জাস্টিস অপূর্ণ থেকে যাবে। তাকে শাস্তি পেতে হবে । আমি proof করেছি।।। এজেডএম স্যার আপনার সামনে আপনার কাছে সমস্ত ডকুমেন্ট আছে। রেডিয়েন্ট সিলেটে জব থাকা অবস্থায় ঘোষণা ছিল আমার বিরুদ্ধে যদি কোন এমআই ও কিংবা কেউ যদি ন্যূনতম অভিযোগ আসতে পারে ।আপনি কোন দোকানে গিফট প্রদান করেছেন। তাহলে আপনার জব চলে যাবে ।ইন স্পর্ট,,,।। জব তো যায় না ইন স্পর্ট। তারমানে আমি কাউকে প্রদান করি নাই। আমি আগেই বলেছি সেখানে 25 জুন কলিক। 50 টি চোখ শত্রু একজন। তাদের মাথায় ঢোকানো হয়েছিল সেটা খুব প্লানিং এর মাধ্যমে যা আমার পলিগ্রাম এখন হয়তোবা বুঝতে ,পারবে তাদের প্রত্যেকটি স্মৃতি পাতায় একটু যোগ দিলে।

আর নাঈম স্যারর সেদিন অফিসে লিম্বিক সিস্টেম নিয়ে কাহিনী টা বলা আপনাকে উদ্দেশ্য করি, আপনার নাম ইউজ করে, কিউ ধমক দেয় এটা আপনার রাজত্ব। সে তার প্রিয় সৈনিক। শিবির সৈনিক তো আপনার হাত দিয়েই নিজের নিয়েছেন তাই না। আপনার হাতে তো এতোটুকু ক্ষমতা ছিল ই তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার। আপনি জাস্টিস করেছেন। আরো ভালো হতো যদি রেডিয়েন্ট হাউস সেটা মেলা কারে জানতো আমার কষ্টের ও  পরিশ্রমের সার্থকতা হত। এই যাদের বলা হয় বাংলা ভাষায় দালাল তারা আপনার সঙ্গে দেখা করে এসে হয়তো বা দুটো ছাড়ি ফিরে এসে ভাইরে হাসতে হাসতে বলবে মুচকি হাসি দিয়ে ওর দোকানে গিফট দিতে বলছে। স্যার আমি যতটা আপনাকে জানি। গ্রীন হাউস যতটা আপনাকে জানে। আপনি কখনোই এ কথা বলতে পারেন না। হ্যাঁ আপনি কোম্পানি ইথিকস এর কথা মধ্যে বলেছেন, যখন ক্যামিস্ট ইন্টারটেইনমেন্ট ছিল তখন বলেছেন ইথিকস এর মধ্যে বলেছেন । মাসিক মিটিংয়ে বলেছেন। সে গুলো কে পুঁজি করে, এরা ঘৃণ্য অপরাধ করে দেন করে যাচ্ছে, রেডিয়েন্ট এর জন্য একটা রাইজিং জায়গাকে ,তারা নষ্ট করে দিচ্ছে। আপনি একবার চিন্তা করুন গতবছর কক্সবাজারে অবস্থা আর আমাদের গ্রোথ কি সমান ছিল। ছিল না। থাকলে কক্সবাজার যে এই ভেলু সেলস হয়। তার আরো ছয় মাস আগে জন হত জোর করে আমিরাবাদ কি নিয়ে আসতে হতো না। কক্সবাজার এখনো মনে করি দুইটি জোন হওয়ার মতো একটি জায়গা। কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল করেন কক্সবাজার শহরের বাইরের কলিগেরা । তাদের এ এচিভমেন্ট সঙ্গে কক্সবাজার শহরের অ্যাসেসমেন্ট কতটুকু জাস্টিফাইড। যেসব ডাক্তার আপনারা ক্রিয়েট করে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে শেয়ার লুস করতে করতে ।দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আমি তো মনে করি কক্সবাজারে অ্যাসিনমেন্ট 150 হওয়া উচিত। যে বাজেট? অপরচুনিটি বিবেচনায়। আমরা কতটুকু নিতে পেরেছি বা পারছি। কক্সবাজার রিলেটেড হঠাৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে শহরে ব্যয় বেড়েছে। আর ব্যয় বেল্লে মার্কেট সাইজ বাড়ে। মাত্র মুষ্টিমেয় ডাক্তার রং ম্যাপিংয়ে কাজ করার ফলে আজকে আমরা সর্বোচ্চ  নিতে পারতেছি না। যেমন ধরেন উদাহরণ আমি আট মাস কাজ করলাম এখানে আমার কোন মার্কেট ম্যাপিং নাই। ডাক্তার লিস্ট এ 39 জন আছে চোখ আছে 24 জন ডাক্তার।

নিজ উক্তিতে স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর।।। ইন ফ্রন্ট অফ অল কলিক। সে রেডিয়েন্ট এ হাউজ এর সঙ্গে কিভাবে যুক্ত থাকতে পারে।নাঈম স্যার আপনাকে জড়িয়ে কথা বলেছে তাই জাস্টিস টা আপনাকে করতে হবে । আপনার কাছে জাস্টিস চাই।

আমি অভিযোগ করেছি। আমি কেন আমি বছর বিজনেস এ ট্রাবল ভোগ করব। আমি ভলুভেন ইনজেকশনের ইনভয়েস কথা বলছি। আপনারা সবাই সবই জানেন সবই প্রভেন। তবু লিখছি সবাইকে জানানোর জন্য। যদি ইন্টারেস্ট না থাকে তাহলে ইনাম স্যার আমাকে কেন টাকা দেবে বিল পরিশোধ করার জন্য। এমআই অর্ডার কাটবে, ডিপো থেকে প্রডাক আসবে, বিল দিব তুলবে। প্রবলেম হলে আমায় সাহায্য করতে পারে বিল তোলার ব্যাপারে নতুবা  রিটান এ। আমার তো বিল পেমেন্ট এর পার্ট নয় তাই না। কাজও নয়। তাহলে আমাকে কেন বলা হবে এবং টাকা দেওয়া হবে জানুয়ারি মাসের 2 তারিখের বিয়ের জুলাই মাসে পরিশোধ করার জন্য। কনফারেন্স এর আগের দিনের বিল। ক্রেডিট বিল। বাংলাদেশের কোন ফার্মাসিটিক্যাল জানুয়ারি মাসের বিল জুলাই মাস পর্যন্ত ফেলে রাখবে লোকাল ম্যানেজমেন্টের কোন চিন্তা থাকবে না। কেন? আর বিজনেস সাফারিং করব আমি। কেন। ট্রানস্ফের হয় আর আসছি মে  মাসে। সবাই বলেছে আপনার এত মাথা বাথা কি শেষ আপনি তখন ছিলেন না। অবাক কান্ড। আমার বেস ফার্মেসিতে আমি বিজনেস করতে পারতেছি না । সেদিন কেমিস্ট্রির দোকানে কোন প্রোডাক্ট যায় নাই। এটুকু proof করছি। টাকা ইমদাদ ভাইরা হাত দিয়ে আমাকে দেয়া হয়েছে এবং তারা দুই জন স্যার নিচে দাঁড়িয়ে ছিল। হসপিটালের ভিতরে। তারা নিজেকে যা এরপর করল তারা বাহিরে আছে। আমি কল রেকর্ডিং সহ যাবতীয় প্রমাণ দিলাম। তিনি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন উঠে পড়ে লাগলেন আমারও পিছনে। জানিনা কেন আমার বাসায় রাত্রিবেলা লোক এসে ধমকানো  যায় কক্সবাজার ছেড়ে যাওয়ার জন্য। আমার মোটরসাইকেলের ওয়েল টাংকি ফুটা করা হয়। জানে আমি সিগারেট বেশি একটু বেশি খাই। সেদিন ভাগ্যের জোরে বেঁচে গিয়েছি সিগারেটটা মুখে নিয়ে ছিলাম ধরায় নিয়ে নাকে অকটেন গন্ধ ।পেয়েছিলাম বলে বেঁচে গেছি। যদি লাইট আর একটা জালাতাম। তাহলে আমি কি আজকে আমার এই কথাগুলো  পৃথিবীকে জানাতে পারতাম। পারতাম না। আপনাকে অফিসে গিয়ে বলেছি। লিখিত অভিযোগ করেছি। ও হ্যাঁ ভুলে গেছিলাম। সকালে মেসেজ দিলাম আপনি কক্সবাজারে না থাকলে আমি ইন সুক ইট ফিল করি। শুকুনের দল কিছু না কিছু করবে। আপনি আমাকে কি করলেন, সকাল বিকাল *কফি উইথ করন *শুরু করলেন। আমি তো মানুষ রোবট নয়। আমি অফিসে প্রমাণ করে আসি আমার  কার্ডিয়াক টিমের স্যার । ঈদের সময় জয়েন ইনভয়েস এর প্রডাকে। তিনি কেমিস্ট্রির দোকান হতে প্রোডাক্ট ফেরত নিয়েছেন এবং বাইরে বিক্রি করেছেন পরে এসে আবার এডজাস্ট করেছেন। যার কারণে ক্যামিস্ট আমার কি বিল দিতে দেরি করেছে। আপনার টেবিলে পিকচার সহ ইন ভয়েজ এর পিকচার সহ ,তিনি স্বীকার করে প্রমাণ হয়েছে। তারপরে আপনি কফি উইথ করণ’-এর যন্ত্রণার  মাত্রাটা। বাড়িয়ে দিলেন। আমার এই সাত মাসের অ্যাচিভমেন্ট অনেক। আমি 2 মাস আগে যে চেম্বার হতে ক লিঙ্ক সহ রেডিয়েন্ট এর আর এম স্যার কে বের করে দেয় ,তাকে  ডি টু ডি তে যায়। মনে হয় আপনি যখন েমেয় ছিলেন তখন লিখতো। আর এখন লেখে। জানিনা আমি চলে যাওয়ার পর কন্টিনিউ হবে কিনা। মন নয় মাসের স্ট্যান্ড হল  25 টি হতে 30 টি করে এক্সিয়াম লেখায় । সেই ডাক্তারকে যখন কার্ডিয়াক টিম ম্যানেজার। ডক্টর কে না জানিয়ে ক্যাটালগ দিয়ে আসে। এবং প্রমটম প্রমোট করে সেখানে। ডাক্তার নিজে আমাকে ফোন করে জানায় সেদিন আমি কমসে কম 30 টি পমটম লিখতে বলেছে তাকে। দাদা আজকে সারাদিন পমটম লেখেন। সে জিজ্ঞেস করল কেন আমি বললাম দিব একটা আজকে লিখেই শোধ করে দেন /এক্সাযম সারা অন্য কিছু নয়। ডক্টর আমায় কথা লিখেছিল পরের দিন ঠিক হয় রূপক লাভ এক্সাম মিলে 50  unit. prescribed করে। আমি ডেভলপ করেছি সূর্যের হাসি ক্লিনিক যেখান থেকে প্রতিদিন at last 30 unite. হলো আমার share। যেখানে আমার আগে প্রায় শূন্য ছিল। আমি টির উড়িতে 9 মাস কি পরিশ্রম করেছি। তা এই  টেরিটরিরি মাটি বালি কথা বলবে। সময় বলে দিবে সব কিছু আমি আর বলবো না। ডক্টর নিউ ডক্টর ডেভলপমেন্ট মিনিমাম টেন।

আপনার টেবিলে প্রমাণ করে আসার পর আমার আমার সুজন 2 স্যার/ইউনূসকে ফ্রিজ কেনার টাকা দেয়। যাতে সে তাদের জব রক্ষা করতে পারে। আর আপনি আমাকে দেন । সাদা কাগজ কেন আমি একটা 20 মিনিটে, বাসায় গিয়ে ,চারটা রিপোর্ট করেছি। আমার কিন্তু কাজ করতে রাত 11 টা পর্যন্ত।

আপনি একবার ও জাস্টিস করলেন না, কোন অ্যাকশন হলো না, আমি তিন লক্ষ 25 হাজার টাকা ঈদ কেডিট প্রদান করিলাম। তার মধ্যে তিন লক্ষ বিশ হাজার টাকা ।আমাকে উত্তোলন করতে হয়েছে। এই উত্তোলন করতে গিয়ে। আমার সাড়ে তিন হাজার টাকা লস হয়েছে। আপনাকে জানানোর পরও কেন বাধ্য হলাম। কেন জাস্টিস পেলাম না। আমার আগেই বলছি হান্ড্রেড পার্সেন্ট সিওর সেলারি টাকা, দিয়ে কেন আমি অনৈতিক সুবিধা দিব। কি সুবিধা ভোগ করবেন। আপনারা। আমার জাস্টিস এটাই আমি আমার বিল জমা দিয়েছি। কেমিস্টের সাড়ে তিন হাজার টাকার বিল ।আমার চাই। থ্যাংকস আজকের টেবিল বিলটা দিয়েছেন আর এম স্যার এর মাধ্যমে। আশা রাখি বাকি সাবমিট করার বিলগুলো দুধ দিবেন দ্রুত দিবেন। বাকি ক্রেনে স্কুল উদ্যোগ জুতো হয়ে যাবে। আমি আমার নতুন যুদ্ধ শুরু করতে চাই।

want justice get 0.

স্যার, সম্মানিত সেলস ম্যানেজার স্যার, আপনার কাছে প্রশ্ন আমার, এতসব ইনজাস্টিস। মিথ্যার মধ্যে আপনি কি সিকিউরিটি ফিল করেন‌ কিভাবে? আপনাকে সম্রাট নিরো নিউ মত একজন, দুইজন হয়তো 1,2 আছে দু-একজন। সাবধানে থাকবেন স্যার। সম্রাট নিয়ে। স্যার 2016 সালে শেষ দিকে মনে আছে কিনা আমার কোরালক্যাল-ডি ব্যান্ড এর কম্পিটিশন ছিল প্রেজেন্টেশনের। যোগ্যতা অনুযায়ী আমাদের জন থেকে জাকিউল ফার্স্ট হয়েছে। কিন্তু আরেকটি ছোট্ট খুব recognition ছিল। কোম্পানির কাছ থেকে, আমাকে রিপোর্টিংয়ে সবার সামনে বলা হলো প্রায়, সিলেটে হিট কোয়াটার এর। আমার টিম ম্যানেজার সহ সব কটি টিপ চাইল। আমি ফ্যামিলি সহ আমার বাসায় টিপ দিয়েছি। কয়েক মাস করে যখন ঘোষণা এবং আওয়ার্ড আসল। একটি অ্যামাউন্ট আমার টিম ম্যানেজারের প্রিয় মানুষ প্রিয় কলিক। গোলাম সারওয়ার একাউন্ট এ প্রবেশ করলো। স্যার টাকার এমাউন্ট বড় কথা নয়। আমার পরিবার আমার ফ্যামিলি আমি যেখানে থাকি তার রেপুটেশন। কিংবা কাছের মানুষকে যাদের আমি গর্ভের সহিত্য, ভেবেছিলাম নিজের দুর্বলতা কে পিছনে ফিরে বোধ হয়। সামনে অনেকখানি এগিয়েছে। আমার আত্মবিশ্বাস অনেকখানি বেরিয়ে ছিল। কিন্তু ফলাফল আমাকে পরিবারের কাছে ,সমাজের কাছে, কেন ছোট করা হয়েছিল। জেনে বুঝে শুনে কেন মিথ্যা কথা বলা হয়েছিল। আমি কি এতটাই জঘন্য অপমান এর পাত্র ছিলাম। লজ্জায় হীনমন্যতায় কুঁকড়ে খাচ্ছিল আমাকে। স্যার আমি হয়তো সেদিন অনেক হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। কিন্তু ভাগ্য তোকে নিতে পারেননি। তাই মনে করি ফাঁস হওয়া প্রশ্নে চাকরি পাওয়া মানে নিজের অস্তিত্ব কে  বিলিন করে।  চাকরি পাওয়া হয়তো সহজ। সারা জীবন কি  ,যে নিজেকে ক্ষমা করতে পারব। আমি, হয়তোবা ক্ষমা করতে পারিনা। তাই জাস্টিস চাই।

আমি ওয়েটিং করছি। আমার এই চার ডিপার্টমেন্ট থেকে একটি ফোন কল। আমি দ্রুত খুব খুব দ্রুত একটা সমাধান চাই। আমি চাই ডিসেম্বরের 1 তারিখ থেকে নতুন লাইফ শুরু করতে। জীবনে অনেক টা বাকি আছে। অনেক হিসেব অপূর্ণ রয়েছে। হয়তোবা এখানে নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছি। আমাকে নতুন করে ভাবতে হবে নিজেকে নিয়ে। স্যার নেপোলিয়ান বেনাপোর্ট 19 তম বার গিয়ে, ফ্রান্স মুক্ত করেছিলেন , আবার হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম হুরেরা সন্ধি করেছিলেন। দুজনের উদ্দেশ্যই এক মানবতা। কিন্তু পন্থা ভিন্ন। কি উদ্দেশ্যে মিশরের সম্রাটগণ মোমি আবিষ্কার করেছিলেন, অমর হওয়ার জন্য, কি হাস্যকর বিষয়, মানুষের শরীর কখনো অমর হয় না। অমর হয় তিনি কি করে গেছেন। আমি আমার জীবনের একটা একটা সময় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সহিত করিতাম। এখন হয়তো  পরপর দিন শুক্রবার এর মধ্যে এক শুক্রবার করি। মুসলমান হতে যেন নাম কাটা না যায়। এটাও ভয় নিশ্চিত নরকে যাব । জানি তবু ভয়। মানুষ ভয় পায়। কে আবার এই ভয় কি পুজো করে বিজনেস করে। সাহসী হবার জন্য, ভীত হওয়াটা জরুরী।এ এক/আজব বিজনেস, যেমন আমি এখন ভীত, কয়দিন আগে  নিশ্চিন্ত  ছিলাম, নিজের ভবিষ্যৎ নিজের কর্মপন্থা নিয়ে। এখন প্ল্যান‌ প্ল্যান করেছি। এই কয় দিনে নিজেকে নিয়ে বিশ্লেষণ করেছি। এই লেখায় লেখাটি লিখতে গিয়ে, নিজের নিজের প্রতি, নিজের প্রতি বিশ্লেষণটা , এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। আমার সমস্যা দুটো জায়গায় ছিল রেডিয়েন্ট এ একটা আমি শামীম স্যার এবং রবিউল স্যারের সঙ্গে কাজ করার পর তাদের ছায়া হতে বের হয়ে আসতে পারিনি। সময় বদলেছে, রেডিয়েন্ট তার চরিত্র চেঞ্জ করেছে। কিন্তু আমি আমার চরিত্র এই দুজন মানুষের আদর্শ হতে বের হতে পারেনি। সবাইকে জাস্টিফায়েড করেছি, এই দুজন মানুষের সঙ্গে। যখন মিলে নাই/তখনই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত করেছে। যখন দেখেছি রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল এর একজন রিজিওনাল ম্যানেজার অন ইথিক্যাল প্রাক্টিস এর সঙ্গে জড়িত। তখন ও বিশ্বাস করেছি এটা, এটা রেডিয়েন্ট এরা আদর্শ নয়, । এটাই ছিল ভুল, এক নম্বর। সময়ের সঙ্গে নিজেকে চেঞ্জ করতে পারি নাই। 2 নম্বরটা আমার নিজের সঙ্গে, সাফল্যের ঢোল গুলো বাজাতে পারিনি। এখানে যারা ঢোল বাজাতে পারেন, বাজনা বাজাতে পারেন, ওস্তাদ ফতেহ আলী খানের মতো সুর তুলতে পারেন। কিংবা তার বড় গুণ থাকতে হবে ইনু সাহেবের মত। যিনি উল্লাসও করতে পারেন আবার মায়া কান্না কাঁদতে, এরাই ক্ষমতাবান। যাদের চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্যতা নাই এক বিন্দুও নয় নৌকা প্রতীক ছাড়া দাঁড়ালে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে নিশ্চিত। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মন্ত্রী রক্ষাকর্তা,‌,(Abu Saeed Anwar sopon Vai ke সাংগঠনিক দায়িত্ব হতে কিছুটা কমায় মন্ত্রী করা হোক যেমন। শাহরিয়ার আলম ভাই এর মতো উদীয়মানরা অনেক ভালো করেছে।) সেই যোগ্যতাটুকু আমার নাই কারণ আমি যে প্রাইমারি মাস্টার স্যার মামুনুর চৌধুরীর সন্তান ।তার রক্ত যে আমার শরীরে বইছে। কি করে, অসৎ এর সঙ্গে সন্ধি করি। আজও করবো না স্যার । আমাকে যত যত কষ্টই দেয়া হোক । আমার অবস্থান অত সরবো না। আমি যা দেখেছি, শুনেছি  সহকারে, তাই লিখেছি। স্যার কষ্ট সহ্য করে তে ,পারি স্যার। যেদিন প্রথম ঢাকায় এসেছিলাম, সেদিন আমার পকেট এ 120 টাকা ছিল। সেদিন থেকে আজকে শাহরিয়ার চৌধুরী হয়েছি ,নিজের পরিশ্রমে অন্য কারো দয়া ভিক্ষাই তাই নয়। আমার বোনকে মেডিকেলের কোচিং করাতে গিয়ে মসজিদে বাইরের বারান্দায় কিংবা রেল স্টেশনে দিনের পর দিন ঘুমানোর অভ্যাস আছে স্যার। আমি স্ট্রাগল করে এসেছি এই জায়গায়। তাই নতুন করে আর কষ্ট বাড়ায় লাভ হইতো না ।আমি আমার অবস্থান হতে এক বিন্দু মাত্র সরতাম। যাহা বলিয়াছি তাহা সত্য বলি আছি এখানে প্রমাণ করি আছি। সত্য এখনো মরে নাই। এখনো শাহরিয়ার এর মত ছেলেরা যে বেঁচে আছে, প্রতিবাদ করতে জানে। ফলাফল যাই ঘটুক প্রতিবাদ করাটা জরুরী, এটা পরে বুঝেছি, অনেক পরে ।আরো কিছুদিন আগে বুঝিলে হয়তো ফলাফল টা অন্যরকম হতে পারতো। কেউ আমাকে নিয়ে গেম খেলেছে তো বুঝিতে পারি নাই। বড় ভাইয়ের ছদ্মবেশে চাল টা অনেক ভাল ছিল ।দারুন ! অয়েল ডান। মাস্টার!!

একটা হাস্যকর বিষয় কি জানেন কক্সবাজারে । ডাক্তার রিলেশনে আমাকে সঙ্গে ঘায়েল করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক স্থানে আঘাত করেছে , ক্ষত সৃষ্টি করেছে। কিন্তু আমি ভয় পাই নাই তাদের চোখ রাঙানিতে ভয় পাই নাই। তাদের সবচেয়ে বড় ভুল একজন কলিগ দিয়ে অভিযোগ করানো, যে কলিক টি , তাদেরঅন ইথিক্যাল  প্যাকটিস এর সঙ্গে, সংযুক্ত খুব ভালোভাবে সংযুক্ত। আমার বন্ধু ইমদাদ ভাইকে বলছি, গুডবাই ভাই আর অভিযোগ করতে হবে না, মিথ্যে। আর নাটক করতে হবে না আপনাকে। আমি আপনাকে মুক্ত করে দিয়ে গেলাম। আপনি প্রমাণ করিয়াছেন আপনার বাড়ি বোধহয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেখানে আপনার স্যারের বাসা নাকি, দূরত্ব যাই হোক কাছে থাকুন, গ্রামীণফোন*******। কারো প্রিয় পাত্র বলে, t k. যাবেন, পার পেয়ে যাবেন এমনটা নয়। এভরিবডি ইস প্রফেশনাল। নাউ ইউ ইউজাবল পারসন। একটা সময় আপনি ডাস্টবিনে পড়ে থাকবেন, এটা রেডিয়েন্ট নিয়তি এই রাত্রিকালে বলে গেলাম ভালো হয়ে যান একটু ভালো হয়ে যান ‌। বাচ্চাকে প্যামপাস যত দামি পরণও হক। যদি বাছাধন হাগু করে দেয় গন্ধ একটু বেরোবে, আবার সেটা বেশিক্ষণ ধরে থাকলে গন্ধ তীব্রতর হয়। নিজের বাচ্চা আছে তো তার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। আপনার দুর্গন্ধ ছড়াবেই। কোন এজেডএম বা কোন স্যার আর এনসার যত দামি প্যাম্পারস আপনাকে পড়ায় রাখুক। আজকে আমি চলে গেলাম, কালকে যে আমার থেকেও ডেঞ্জারাস কোন এক এম আই ও এসে প্রতিবাদ করবে না তারা কি কোনো গ্যারান্টি আছে , অতএব ভালো হয়ে যান। এ মাসে ও আপনি পান বাজারে গিফট ইউজ করেছেন। কি সেটা করেছেন। আমি এজেডএম স্যার কে মেসেজ দিয়েছিলাম, আপনাকে ডেকে একবার জিজ্ঞেস করিআছে ?করে নাই তো ।শাহরিয়ার হলে লিখিত সহ ওয়ার্নিং লেটার কম্পলসারি ,এটা আমার বড়  সৌভাগ্যের বিষয়। তাই হয়তো চলে যাওয়ার সময় একটু একটু কষ্ট পাচ্ছি ।আপনার তো অনেক ক্ষমতা। আপনার কথা মানেই এ জেড এম ,ডি এস এম সবার কথা। আপনি নিজেই বলেছেন বহুবার, ফোন রেকর্ডিংয়ে শুনেছিলাম আমার স্যার কে এবং  এ জেড এম স্যার কে। আপনি ভিন্ন কোম্পানির লোক লাগায় দিয়ে, আমাকে সবার সামনে হাত ধরে ডিজিটাল’ থেকে বের করেছে। সেই আমি আবার পিছনে ফিরে ঘুরে এসে তার সামনে দাঁড়িয়ে প্রেসক্রিপশন বের করেছি একটার পর একটা তার প্রেসক্রিপশন শেয়ার সব খেয়ে ফেলেছি । আপনি একবার না দুইবার করেছেন। আমি অভিযোগ করতে চেয়েছি লিখিত , অফিসে গিয়ে।।।।। কোন এক অদৃশ্য কারণে আমার অভিযোগ , লিপিবদ্ধ করা হয় নাই। আপনি সৌভাগ্যের প্রতীক কক্সবাজারে। সারাটা জীবন দুর্ভাগ্যের প্রতীক হয়ে থাকলাম।তাতেও আমি খুশি আমার লাইফ নিয়ে বেঁচে আছিস তো কিছু একটা করবো ।আমি আর দশটা মৃত্যুর মতো সাধারণ মৃত্যু চায়না। দেখবেন আমার মৃত্যুর স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমি মানুষটাই যে মস্ট কমপ্লিকেটেড পার্সন ইন রিসেন্ট হিস্টরি ,দেয়ার ইজ নো ডাউট।Want justice, get 0new part for justiceআমার দুটো জিনিস বলার আছে। আমি জাস্টিস ছাড়াই চলে যাচ্ছি , cox’s বাজার ছেড়ে, কিন্তু আমার লড়াই শেষ হয় নাই।দ্য স্টোরি অফ এ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ॥ এ লড়াই চলবে জাস্টিস না পাওয়া পর্যন্ত, এ শিক্ষিত আমাদের মত ছেলেদের , ইউস করে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার মতো মত মানুষদের বিরুদ্ধে।।।আমার প্রশ্ন দুটো কিল পাবো আমি লিগালি।।01. আমার এস জেড এম ব্যর্থতায় , আমার ঈদ কেটে দিতে গিয়ে একটা মিস্ট সাড়ে তিন হাজার টাকা কেটে নিয়েছে। যা টাকা আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে ডিস্ট্রিবিউশনে।।02. 4 মাস ডক্টর কে বাসা হতে খাবার রান্না করে খেয়েছি। আমাশার বলেছিল প্রতি মাসে 1000 টাকা করে বিল দিবে। চার মাস চার হাজার টাকা। ওপেন সার্কিট বিল সাবমিট করিয়াছি।,AZM বলে আমি কোনদিন পাই নাই টাকা পরিশোধ হবে না.02. আমি আমার ডেভলপমেন্টের জন্য, ডাক্তার ইন্টার্মেন্ট করেছি। আরো তিন থেকে চার হাজার টাকার মতো। যারবিল আমি টাইম টু টাইম সাবমিট করেছি। আমার তৎকালীন তা সাবমিট বলেছে কিনা, জানিনা। আমি আমার সবকিছু জাস্ট টাইমে আমারে AZM কে ইনফরম করেছি.তিনি এখন জাস্ট অস্বীকার করতেছে। আমি আজকে এএইচ সুমন স্যার এর চেম্বার এ যাব। নাজমুল হক স্যার মরে যাব। তাদের কাছে জাস্টিস চাইবো। তাও যদি না পাই কাল সকাল হতে ।আমি আমার ফ্যামিলি নিয়ে সঙ্গে আমার বাসার সব জিনিস, অফিসের সামনে বসে থাকবো। আমি আমার 100% হালাল টাকা ফেরত চাই। এটা আমার বেতনের টাকা ,যা কষ্টে উপার্জিত। যদি আমি ভুল বলে থাকি। তাহলে জানাবেন ,আমি সঠিক করছি কি না ভুল করছি।। এটা আমার অধিকার।।

. কয়েকটা দিন এর বিরতি। জীবনকে নতুন সুযোগ দেওয়ার জন্য নতুনভাবে গড়িয়ে তোলার জন্য এই বিরতি। আমার খুব কাছের একজন ছোট ভাই আমাকে বলল।। ভাই আপনি ব্লগে লিখছেন কেন লেখা পড়ে মনে হচ্ছে আপনি একটি চোর  কোম্পানিতে জব করতেন, আর তার সঙ্গে আপনিও যুক্ত ছিলেন। এটা মনে হতে পারে, আমার লেখাগুলো পড়ে এটা মনে হওয়ার অমূলক নয় যারা ফার্মাসিটিক্যাল জব সম্পর্কে জ্ঞাত নই। আমি তাকে বলেছিলাম এবং এখনও বলছি আমি কোন কিছুর কোম্পানিতে ছিলাম না। আমি ছিলাম বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান রেগুলেটেড ডিসিপ্লিন মেনটেন করা ইতি কালী কম্পানি রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল এ। আমি আমি যে কোম্পানিতে কি ছিলাম। কতটা সংঘর্ষ করে টিকে ছিলাম। সম্রাট নিরো দের  মধ্যে, আমার অবস্থাটা ঠিক সেরকম যেরকম, যে কারণে ইবনে বাতু তা এদেশে এসে যে মন্তব্য করে গিয়েছিল এবং তারা তড়িঘড়ি করে চলে গিয়েছিল, আমার অবস্থা ঠিক সে রকম। তিনি কি মন্তব্য করেছিলেন, আমাদের সবার জানা, আমি আমার এ পথ শেষ করতে চাই। আমি কেন জব রিজাইন করলাম। আমার লাস্ট আর এম স্যার , বিল ব্যাপারে ফোন করেছিলাম, তিনি বলেছিলেন, আপনি তো নিজে রিজাইন করেছেন আবার কেন এত কথা বলছেন। আমরা কেহ ডাস্টবিন আপনাকে ফেলে দেই। নাই আপনি নিজেই করেছেন, স্যার আপনার সঙ্গে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছিল মাত্র একদিন, আমি ওই একদিনের কথা বলতে চাই, আমি আমার প্রত্যেকটি  ডক্টর, কেমিস্ট্রি কাছে নিয়ে গিয়েছি। আপনার কি কখনো মনে হয়েছে তাদের সঙ্গে আমার খারাপ সম্পর্ক কিংবা অনৈতিক সম্পর্ক। এটা long-term রিলেশনশিপ এর সম্পর্ক স্যার। যা আমার স্কিল। আপনি এখনো ওই জায়গায় কাজ করছেন হয়তো বা নতুন কোন কলিগ আছে। ভবিষ্যৎ কথা বলবে। আমার  শ্রদ্ধেয়  রবিউল স্যার বলতো একটা কথা সব সময়, শাহরিয়ার আপনি যে দিক থেকে যাবেন, 6 মাস পরে যেন ওই জায়গার মাটি ও আপনার নাম বলে, অতীত যেন মুছে যায়। স্যার আমার 6 মাস লাগতো না কখনোই। সর্বোচ্চ দুই মাস ,এক মাস। কোন কিছু অপূর্ণ থাকে না কারো জন্য নতুন কেউ আসে সেটা এটা পূর্ণ করে দেয়। তবে আমার অপূর্ণতা, পূরণ করতে সময় লাগতো মাত্র অল্প যা আমার স্ট্যাটাস। জয়েন করেছিলাম মে মাসের 2 তারিখ। জুন মাসের 30 তারিখ পর্যন্ত। আমি আমার rm স্যার সম্মানিত ভেবে কাজ করে গেছি। তাকে যখন সিলেট থেকে যায়, বলেছিলাম আপনি যা বলবেন তাই করবো । অনৈতিক কাজ করে নেবেন না।। আর তিনি 14 বছরের সানাফির আর এম ছিলেন। আমার স্কিল টা কি ইউজ করলেন অন্য ভাবে।। এটাকেই বলে গেমস।। টোটালি অন ইথিক্যাল।। আমার আর এক এজেডএম স্যার বলেছিল, শাহরিয়ার আপনি ডাব আর সব চাল জানেন। কিন্তু কোন সময়ে কি চাল দিতে হবে সেটা পারে না। স্যার আপনাদের দেখে দেখে শিখেছি অস্ত্র। যা আপনারা এই সেক্টরে আছেন কে কে 15 কেউ ২০ বছর ধরে। আমিতো আনাড়ি। তবে হ্যাঁ আমি কাজ করতে পছন্দ করি। আমার স্ট্যান্ড ।আমার ভালবাসা জায়গায় এটি । মাস জুন-আমার সঙ্গে অনেক কিছু ঘটে গেলো আমাকে দ্বারা.. আমার বেতনের 100% হালাল টাকা কেমিস্ট কে দেয়া হলো। টাকা তুলতে গিয়ে ভোগান্তির মধ্যে পড়লাম। আমি জানি আপনি সবাই জানেন, আপনি আমাকে বলছেন আপনার রাজত্বে আপনার কথা ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না। এটা এটা আপনার রাজত্ব। এটা আর আমার কুকুরের কুকুর ফরহাদ স্যারের মতে, এটা নাইম স্যার ।।সে সম্রাট।।।। আমি না DSM জানি । না এজেডএম স্যার জানি। আমি জানি রেডিয়েন্ট তার রুলস এন্ড রেগুলেশন।….. তাই অনেক চিন্তা করে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, এসব আর গ্রহণ করবো না। অনেক হয়েছে নাটককি। আমি জিএম স্যার কে, এসএমএস করলাম, তিনি রেসপন্স করলেন,, তাকে সারমর্ম জানালাম। এবং ইউ বললাম স্যার আমি আপনাকে প্রমিস করেছি। আজ থেকে হজ করলাম, আমি যদি রেডিয়েন্ট ফার্মাসিটিক্যাল  আর একদিন ও জব করি, যেখানেই করি, সেখান থেকেকোন সব অন ইথিক্যাল প্রাক্টিসেস শিখর পর্যন্ত করে ফেলে দেবো। স্যার আপনার দেয়া কথা রাখতে গিয়ে ,আমার অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে ।।আমাকে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আমি আমার অবস্থান থেকে সরে যাই নাই। আমি আজও অপেক্ষায় আছি আপনার জন্য কারণ আমি জানি স্যার আলাউদ্দিন হোসেন রিয়াল জাজ মেন্টাল । আমি ততক্ষণ পর্যন্ত রেডিয়েন্ট ছাড়বো না। যতক্ষণ না পর্যন্ত শুরু করেছি। এখন প্রশ্ন হতে পারে আমি তোর রিজাইন করেছি ।চলে এসেছি। স্যার শেষ এখনো বাকি আছে। আমার 4 ,4 টি সার্টিফিকেট রেডিয়েন্ট এ রয়েছে। যার জমা দিয়ে আমি এখন এসেছি। মহামান্য হাইকোর্টের অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোন কোম্পানি সার্টিফিকেটের মূল কপি জমা রাখতে পারেনা । যতক্ষণ না পর্যন্ত শিকড় উপড়ে ফেলতে পারব। ততক্ষণ পর্যন্ত আমি সেগুলো গ্রহণ করি ।। যা  রেখেছেন ,এখনো ফেরত দেন নাই। তাহলে সম্পর্ক ছিন্ন হয় নাই। আই এম স্টিল পার্ট অফ রেডিয়েন্ট। শিকড় উপড়ে ফেলার জন্য আমার সার্টিফিকেটের মামলা করতে হয় হাইকোর্টে/ আমি করব। কিন্তু আমি শিখর ও করে ফেলব। আমি আমার সুপ্রিয়কে দেওয়া প্রত্যেকটা ঈমান পূর্ণ ভাবে পালন করি আছি। কোন অসফল হয় নাই। ওই *সুয়ার কা আওলাদ*এনাম হোসেনের গং দের । শেষ দেখে ছাড়বো। যদি আপনি ছেড়ে দেন। আমি সিম্পল একটা কাজ করব। আলকাতরা কিনব 1 কেজি, cox’s bazar’s মেডিকেল কলেজ বাইরে যেখানে 200 জন এম আই রিপোর্ট ইন করে সকালে প্রতিদিন সেখানে তার মুখে আলকাতরা মেখে দিয়া। জন্য জেল খাটতে হল আমি রাজি আছি। জুন মাসের 15 তারিখের পর থেকে আমি ডিজিএম স্যারের সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ছিলাম। তিনি মাসের শেষে দিকে আমাকে জানালেন, সমস্যার মূল তদন্তের দায়িত্ব ডি এস এম এন্ড এ জেড এম স্যার কে দিয়েছেন। আমি যেন তাদের সঙ্গে কথা বলে বাকি কাজটুকু সম্পন্ন করি। জুলাই মাসের 3 তারিখে কক্সবাজার ডিজিটাল হসপিটালের সামনে এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের গেটে সকাল ন’টার বাজার 10 মিনিট আগে আমার এজেডএম স্যারের সঙ্গে দেখা হাতে একটি ব্যাগ। তিনি ঢাকা ছিলেন আগের দিন পর্যন্ত। আমি ভাবলাম তিনি কোন মেসেজ নিয়ে এসেছেন স্যারের কাছ থেকে। তাই তাকে প্রত্যেকটি জিনিস আমি খুঁটিনাটি ভাবে বললাম, কিন্তু পরের দিন মাসিক মিটিং হল ডিজিএম স্যার আসলো। তিনি পরের দিন চলে গেলেন কি ঘটলো জানিনা। এজেডএম স্যার, স্যার কে কি কীর্তন বলে বিদায় করে দিলেন তাও জানিনা। যখন বিদায় করে দিলেন/আমি কিছুটা শঙ্কিত হয়ে পড়লাম, শেষ মুহূর্তে স্যার স্যার কে সরাসরি ভাইবারে একটি ইন ভয়েস পাঠালাম। এবং লিখে দিলাম স্যার আমার এ জেড এম বিস্তারিত  সব জানে। এবং আমি সন্ধ্যায় স্যার কে ফোন দেই, তিনি আমাকে বলেন যে আমরা ওখানে একজন এজেডএম এবং দুইজন আর এম দিয়েছি তারা দেখবেন। আপনি আপনার কাজটুকু করেন। ক্লোজ।।।।। স্যার সেদিন ক্লোজ হয় নাই। ক্লোজ হলে আমি আমার 100% হালাল সেলারি টাকা যেটি কেমিস্ট কে দেয়া হয়েছে নাঈম স্যারের নাম ভাঙ্গিয়ে। সেটা কেন এখনো ফেরত পায় নাই। স্যার 40 হাজার টাকা ছাড় এক মাসে বেতন। আমার ফ্যামিলি আছে আমার একটা ছোট বাচ্চা আছে।। বাচ্চাকে  তিনদিন পর পর/এক প্যাকেট ল্যাকটোজেন 3 কিনতে হয়। আমার ওয়াইফ সেকেন্ড প্রেগনেন্সিতে রয়েছে। তাকে টেক কেয়ার করতে হয় ।আমার বাসা ভাড়া। ফ্যামিলি খরচ কিভাবে আমি চালিয়ে 6 মাসে উপর আলা জানে ,আমি জানি। কেউ খোঁজ নাও নেইনি একটিবারের জন্যও নয়। আপনিও না ,আপনার ডি এস এম না ,আপনার আপনার এ জেড এম না। স্যার আমি কি একমি তে জব করতাম? দুই মাস ধরে একটি কেমিস্ট কে, বিদেশ ট্যুর কনফার্ম এর জন্য নাঈম স্যারের নির্দেশে (rm said). একটি থাইল্যান্ডের ঘুরিয়ে দেওয়ার নামে অর্ডার করা হয়েছে আমার দোকানে। কেমিস্ট ঘড়ির জন্য বারবার তাগাদা দেবে , আমি আমার আর এম কে জামান জানাবো। এজেডএম স্যার কে জানাবো। ফোন রেকর্ড আমার কাছে আছে অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু কোন উদ্যোগ নেই সলিউশনের। যখন  ক্যামিস্ট 5000 টাকার অর্ডার দিয়ে পোডাক আটকায় দিলেও সকাল থেকে আর এম কে জানার পরও কোন সলিউশন আসে নাই। রাত দশটার সময় যখন ক্যামিস্ট জানায় আমাকে ডিজিটাল এর সামনে জাকির স্যার দেখা করতে বলছে/সঙ্গে ফরাদস আরো আছে আমি জানি। তখন বুঝলাম, আমাকে বলির পাঠানো বানানোর ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়েছেন আপনারা। আমি সেদিন সেদিন আপনি আমাকে ফোন করে ডাকেন নি আমি ছুটে গিয়েছিলাম ডিজিটাল এর সামনে। যেন কোন সত্য দিয়ে /আমাকে ঘায়েল করে কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করা না হয়। কারণটা আমি জানি ওই কেমিস্ট্রি দোকানে আপনি এম আই ও এবং আর এম হিসাবেও কাজ করেছেন ।সেখানে আপনার প্রাধান্য অনেক বেশি থাকবে। কিন্তু ভুলে গেছেন স্যার আমি শাহরিয়ার। আমি শামীম স্যার রবিউল স্যারের ছাত্র। আমি ঠিকই সেদিন ডিজিটাল সামনে এসেছি, থ্যাংকস ফর স্বপন দা, তিনি সত্য বলেছেন। আমি সেদিন আরো একটি পিক কথা বলেছিলাম স্যার। শ্যামলী প্লাস এর ব্যাপারে ঐদিন এর প্রোডাক্ট আমি নিয়েছিলাম ডিপো থেকে। ওই একই সঙ্গে মাবা ফার্মেসির প্রডাক এর সঙ্গে। আপনার প্রিয় এমআই ওকে রক্ষা করতে গিয়ে আপনি সেটা সামনে আনেন নাই। আপনারা দুইজন মিলে আমাকে বলে পাঠানোর চেষ্টা করলেন ,পারলেন না। আমি আপনাকে লিখিত দিলাম অভিযোগ আকারে দুটি ফার্মেসির ব্যাপারে যায় একটি ইনভয়েস এখনো আমার কাছে রক্ষিত আমি আপলোড করে দেব কিছুক্ষণ পর। কিন্তু স্যার এই দুই মাস জুলাই মাসের 3 তারিখ হতে ফরাদ স্যারের চলে যাওয়া পর্যন্ত। আমার উপর যে অমানুষিক অত্যাচার করা হয়েছে এবং মানসিক টর্চার করা হয়েছে। তা কি আপনার অর্ডার দিয়ে করিয়েছেন এজেডএম স্যার আপনি বলেন, আপনার রাজত্বে আপনার কথা ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না। আমাকে এইচাআর হতে ডাকা হল/ফরহাদ হোসেন স্যার রিজাইন করে চলে যাওয়ার সুযোগ পেলেন। যাওয়ার সময় আপনার কাছ থেকে আন‌ইতিকাল প্র্যাকটিস করা। টাকা পর্যন্ত হিসাব করে আপনি দিয়ে দিলেন। কিন্তু একটিবারও আমাকে জিজ্ঞেস করেন নি আপনি আমার সাবমিট করা বিলগুলো আমি পেয়েছি কিনা সব আমি কোন টাকা পাব কিনা আমার স্যারের কাছ থেকে কিংবা আমার মার্কেটে আমার স্যারের জন্য কোন টাকা পড়ে আছে কি না অথচ আপনি সব জানেন। আর আপনি এখন বলেন আমি কোনদিন পাব না আমি কোন বিল সাবমিট করি নাই। মনে হয় এক কেজি আলকাতরা বেশি কিনতে হবে। ঢাকা থেকে আসার পর দুই দিন আমাকে রেস্ট রাখা হলো। তারপর ডি এস এম স্যার সঙ্গে, দেখা করতে গেলাম তার তার নির্দেশে। রুমে ঢোকার আগ পর্যন্ত আমি আজ মনটা খুব ভালো ছিল। ভেবেছিলাম আমার চেয়ারম্যান স্যার এর ভেবেছিলাম ঘোষণা অনুযায়ী আমি কোন পুরস্কার পাব। অ্যাক্টিভ পেলাম একটি লাস্ট ওয়ার্নিং লেটার। কি নির্মম পরিহাস যার প্রত্যেকটি পয়েন্ট ছিল মিথ্যা অসত্য বানোয়াট। তবু সাইন করেছিলাম এবং গ্রহণ করেছি। গ্রহণ করার সময় স্যার কে বলেছিলাম স্যার আপনি বলেছেন সাইন করছি নয়তোবা করতাম না। আমার ইন্সেন্টিভ কাটা হলো। আচ্ছা আমি তো ওই কোয়ার্টারে ইন্সেন্টিভ পাই নাই কারণ আমি অ্যাচিভমেন্ট করি নাই।। কিন্তু এলাউন্স তো পাবো আমার এলাউন্স কাটা করা হয় নাই। তাহলে কেন আমার এলাউন্সসের টাকা ও আমার একাউন্টে আসে নাই। আমি জানিনা/আপনাদের সঙ্গে সম্পর্কটা অনেক তিক্ততার হবে কারণ প্রত্যেকটি বিষয়ের হিসাব করে জাস্টিস চায়। সেটা কখনোই পাবো না আপনাদের কাছ থেকে, আমাকে শ্রম আদালতে যেতে হবে সেখান থেকে ডিগ্রী নিয়ে ডিগ্রি নিয়ে হাইকোর্টের রিট করতে হবে তারপর হয়তোবা মহামান্য  হাইকোর্ট আপনার জাস্টিস পাব? কারণ যেখানে সম্মানিত চেয়ারম্যান স্যার এর কথার মূল্য আপনারা রাখেন না ।।সেখানে আমি শাহরিয়ার অতি ক্ষুদ্র একটি মানব, কারণ আমি অতি সামান্য একজন এম আই ও। তবে আমি লড়াই করব এটুকু নিশ্চিত আমার প্রত্যেকটি জাস্টিস এর বিষয়। আমি আমি অসহিষ্ণু পথে প্রথমে এর শেষ পর্যন্ত যাব এবং তারপর যদি জাস্টিস না পাই ,তবে তবেই উপরের বর্ণিত পথে হাটবো। দ্যাট ইজ ফাইনাল। কারণ আমাকে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোন কোম্পানি তার ইমপ্লোয়ীদের কাছ থেকে সার্টিফিকেটের মূল কপি জমা রাখতে পারে না এটা ভুলে গেলে চলবে না। আমি আমার জাস্টিস সহ সার্টিফিকেটের মূল কপি গুলো দ্রুত ফেরত চাই। আপনাদের সঙ্গে মানসিক অত্যাচারের জর্জরিত করে কফি উইথ করন খেলার আর ইচ্ছা আমার নাই। ফরহাদ হোসেন সার্চ চলে গেলেন, রেখে গেলেন তার দুর্নীতি জর্জরিত করে রাখা কিছু ডক্টর এবং ক্যামিস্ট। আমি কিভাবে অ্যাসেসমেন্ট করব। তবু দেখেন আমার ফরপি আর আপনার হেডকোয়ার্টারের 6 জন কলিক এর মধ্যে সবচাইতে বেশি। তবুও ফরহাদ হোসেনের যাওয়ার পর এজেডএম স্যার আপনি ওই রিজন এর দায়িত্ব নিয়েছেন।। আমাকে সকাল বিকাল ডেকে গোটা দশেক লিখিত নিয়েছেন উইথ কফ উইথ করন।। আমি যে কয়বার গিয়েছি ,ততবার কোনো না কোনো দুর্নীতি প্রমাণ করে এসেছি কোন কলীক বা কোন স্যারের, কিন্তু মজার বিষয় হল আমার মিথ্যা অভিযোগ গুলো লিপিবদ্ধ হয়েছে, আর আমার তো মান করার বিষয়গুলো আপনারা খেয়ে ফেলেছেন। আমি ঈদের ছুটির মধ্যে কাজ করেছি বাসায় আসি নাই। তবু আপনার মন জয় করতে পারি নাই। এ কারণটা বড় অদ্ভুত এবং অদৃশ্য। আমি আপনার পাশে দাড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছি আর আপনি আমাকে ডেকে প্রত্যেকদিন একটা না একটা লিখিত নিচ্ছেন অযৌক্তিক কারণ দেখিয়ে। আমি আপনার টেবিলে প্রমাণ করে আসলাম যে এনাম স্যার আমার মোটর সাইকেলে অয়েল ট্যাংকারে ছোট ছিদ্র করে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। কারণ সে জানে আমি চেন স্মোকার। সেদিন মসজিদের সামনে  মোয়াজ্জিন এর বদৌলত বেঁচে গেছি। তিনি বোধহয় কোন ফেরেশতা হিসেবে পাঠিয়ে ছিলেন আমাকে বাচানোর জন্য আল্লাহ তালা। সেই ঘটনার পর থেকে এখন আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। প্রতিটি নামাজের পর আমি একটি দোয়া করি আল্লাহ তা’আলা যেন সেই লোকটিকে জান্নাতবাসি করে। নিজের জন্য কিছু চাই না ।তার জন্য চাই যে আমার জীবন টাকে বাঁচিয়েছে, আল্লাহ তালা যেন তার জীবনকে অনেক সুখী সমৃদ্ধ করে এবং জান্নাতবাসি করে পরকালে। আমি তো খারাপ মানুষ অতি জঘন্য প্রকারে একটা মানুষ অনেক পাপ করেছি জীবনে কখনো জান্নাতে দেখা পাবো কিনা জানিনা তবে সেই লোকটি যেন জান্নাত পাই খোদা যে আমার জীবন বাঁচিয়েছে।আল্লাহ তালা যেন ভবিষ্যতে আপনাদের মত নিম্ন প্রজাতির মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ প্রদান না করে আমাকে। যদি জীবনে সিএনজি চালিয়ে কিংবা রাস্তার ধারে ডিম বিক্রি করে জীবন যাপন করতে হয় তবু ভালো।। আপনাদের মত মানুষের সঙ্গে যে সঙ্গে নিজের মেধা যোগ্যতা পরিশ্রম শ্রম দিয়ে কি লাভ বলুন। যেখানে যেখানে জাস্টিস কুড়ে কুড়ে মরে যায়। আর আপনারা কারো লাইফ নষ্ট করে। ধিক্কার আপনাদের মানবতা ধিক্কার আপনাদের। ধিক্কার আপনাদের মনুষ্যত্ব , ধিক্কার আপনাদের। খারাপ ভাষায় গালি গালাজ করার অভ্যাস বা ইচ্ছা আমার নাই শুধু একটি মুসলমান রাজা মোহন শয়তানদের ঢিল মেরে থুতু দিয়ে ঘৃণা প্রকাশ করে হজ করতে গিয়ে। আমি একবার যেতে চাই সেখানে আপনাদের শয়তান হিসেবে আখ্যা দিয়ে ঢিল ছুড়ে থুতু প্রকাশ করে আল্লাহর কাছে এর বিচার চাই। যেটি আমার ওই মুয়াজ্জিন ভাই আমাকে বলেছিল। সত্যি আপনারা নরাধম নরপিশাচ এবং নরক কিট। বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের অধ্যাদেশ অনুযায়ী আমি আমার সার্টিফিকেটসহ জাস্টিস চাই যা আপনারা আটকে রেখেছেন দ্রুত ফেরত দেন আমি নতুন লাইফ শুরু করতে চাই। এটা আমার অধিকার। যা আমাকে বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে। এর ব্যত্যয় হতে দেব না হতে পারে না। আমি প্রত্যেকটি কাজের বিচার চাই।। জানি এখন আমার পিছনে অনেক অনেক মানুষ রুপি কুকুর লেলিয়ে দেয়া হয়েছে আমার অনেক দোষ বের করার জন্য। মনে রাখবেন গতকালকে উদাহরণ জলজ্যান্ত উদাহরণ একসময়কার তুমুল প্রভাবশালী বিশ্ব  চাম্পিয়নস্ ইন্ডিজ , যার একটি দ্বীপের সমান দেশ বাংলাদেশ ।কিভাবে অসহায় আত্মসমর্পণ করে হেরেছে ,কোন ক্ষমতায় চিরস্থায়ী নয়। আজকে আমারআজকে আমার সঙ্গে করেছেন মানসিক টর্চার করে করে রিজাইন দিতে বাধ্য করেছেন ঠিক তেমনি আপনারাও এক সময় এর ফাঁদে পড়বেন পড়তেই হবে এটা পৃথিবীর নিয়ম। আমার সৌভাগ্য এই আমি আমার 31 বছর বয়সে হয়তোবা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারব কিন্তু আপনারা যখন খাদে তখন আপনাদের পিছনে তাকানোর সময় টুকু পাবেন না। কারন আপনাদের লাইফ থেকে আমি এত সহজে বিচ্ছিন্ন হব না মরার আগ পর্যন্ত হলেও হয় রেডিয়েন্ট এ নতুবা পটে না হলে আমার নিজস্ব আদালতে। মনে রাখবেন আমার বাড়ি ও উত্তরবঙ্গে আপনাদের উত্তরবঙ্গে আমি আপনাদের বাসায় যাব ঈদের ছুটিতে আমি মেম্বার এলাকার লোকজন চেয়ারম্যান বসাবো। সেখানে আপনাদের মুখোশ উন্মোচন করব এবং আপনাদের মুখে আলকাতরা মেখে কিংবা গণধোলাই দিয়ে আসবো। কারণ আপনারা আমার কাছ থেকে আমার স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছেন আমার। আমার চার বছরের পরিশ্রম ,4 বছরের শেষ করে দিয়েছেন শেষ করে শেষ করে দিয়েছি।।। আমার হাত দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটে  হবে ,শেষ আপনাদের মিথ্যে মুখোশ ধারী জৌলুস আপনাদের।। আমার সাথে কেউ না থাকলেও সেই মানসিকতা আমার রয়েছে। আমি কোন উড়ে এসে জুড়ে বসা শাহরিয়ার চৌধুরি নই। আমি শাহারিয়া হতে শাহরিয়ার চৌধুরী হয়েছি পরিশ্রম দিয়ে ত্যাগ তিতিক্ষা দিয়ে এবং দয়া ও দক্ষিনা নিয়ে নয়। আমি যেদিন প্রথম নিজের ভবিষ্যতের খোঁজে ঢাকায় এসে গাবতলী বাস টেন টেন আমি সেদিন আমার পকেটে ছিল 120 টাকা সেখান থেকে আমি আমার সমস্ত অর্জন করেছি পায়ে হেঁটে হেঁটে গোটা ঢাকা শহর চষে বেরিয়েছি/ 50 টি জব ইন্টারভিউ দিয়েছি, 21 তম ইন্টারভিউ গিয়ে প্রথম জব পেয়েছি। তারপরে প্রত্যেকটি ইন্টারভিউতে আমি জব পেয়েছি  । আমি আল মাহমুদ গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী বলছি জাস্টিস চাই জাস্টিস করতে হবে মত বা আইন আমার নিজের হাতে আইন নিব এর জন্য দায়ী আপনারাই হবেন যারা আমাকে আজকে আমার লাইফ হতে সোনালী চারটি বছর কেড়ে নিয়েছন। তাই বলছি তাই অনুরোধ করছি জাস্টিস করুন সমস্যার সমাধান করুন দ্রুত। নতুবা এর পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। কারণ এটা পুনঃ জন্ম এটা আমার। আর এটা কে খুব হালকা ভাবে নেবেন না দয়া করিয়া। যখন মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায় শেখ বাঁচার জন্য সবকিছু করে। একটি পিঁপড়া ও যখন গরুর বিশটার মধ্যে পড়ে যায় সে বাঁচার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে উপর উঠে আসে এবং উপর ওঠার জন্যে। আর আমি তো রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ রোবট নয় এ আপনাদের অত্যাচার দিন দিন সহ্য করে যাব আপনাদের ও মানসিকতা মেনে নেব এমনটা ছেলে আমি নই। আমি মৃত্যুকে ভয় পায় না জেল খাটতে ভয় পায় না কিন্তু বিচার হতে হবে আমাকে হত্যার চেষ্টা করার বিচার হতেই হবে ওই in-house রেডিয়েন্ট নতুবা আউট হাউজ রেডিয়েন্ট হয় ইন হাউস রেডিয়েন্ট নতুবা আমি করলে আউট হাউস গ্রেডিয়েন্ট। দিস ইজ মাই প্রপরশনাল জানি অফ রেডিয়েন্ট যার কোন শেষ হয়নি। লড়াই আছে লড়াই করছি অনেক পথ খোলা আছে আমার সামনে ।আমার সাম পথগুলি খোলা আছে ,কোনটি বেছে নেব আল্লাহ তালা যেন আমাকে সঠিক পথটি বেছে নেওয়ার তৌফিক দান করেন…………..

https://www.youtube.com/watch?v=geCwKWbFq1w

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

https://www.youtube.com/watch?v=geCwKWbFq1w